Science Bee TG
✔
6.74K subscribers
2.31K photos
9 videos
436 links
Welcome to Science Bee Verified Telegram Channel.
Download Telegram
অবশেষে আমরা পেয়ে গেছি মে মাসে আমাদের কনটেন্ট রিসার্চ টিমের সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখা টিম মেম্বারদের। সায়েন্স বী এর অন্যতম পরিশ্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো “কনটেন্ট রিসার্চ টিম”। বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহজ ভাষায় সেগুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করাই এই টিমের মূল কাজ। পেইজের মাধ্যমে বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য প্রতিনিয়ত আপনাদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে টিমটি। অন্যান্য ব্যাচের সফলতার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে চলছে চতুর্থ ব্যাচের কার্যক্রম। প্রায় পাঁচ শতাধিক আবেদনকারীর মধ্য থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ জন মেধাবী তরুণ-তরুণী। বর্তমানে তারা দুইটি টিমে ভাগ হয়ে কো-অর্ডিনেটর ও টিম লিডারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করছে। প্রথম মাসেই প্রায় ১৫০+ কনটেন্ট তৈরি করে তারা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।

টিমের প্রত্যেকেই ছিলেন সেরা, নিজেদের কাজগুলো সবাই পূরণ করেছেন দক্ষতার সাথে। কিন্তু সবাইকে ফিচার করা তো আর সম্ভব নয়। তাই অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর মে মাসের সেরা হিসেবে আমরা নির্বাচিত করেছি ২ টিম থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জনকে। পাশাপাশি দুই দলের মধ্যে সেরা হয়েছে “Team Nova Spark”।
আপনার কী মনে হয়?
বিস্তারিত পড়ুন: https://www.sciencebee.com.bd/qna/30958/
😨3👍1😱1
কালকে আপনি গরু, মহিষ নাকি ছাগল?
বিস্তারিত পড়ুনঃ https://www.sciencebee.com.bd/daily-science/কী-হবে-যদি-আপনি-শুধু-মাংস-খ/
❤4
খুশির আমেজ ঘরে ঘরে, সকলের ঈদ কাটুক আনন্দে।

সায়েন্স বী'র পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ উল আযহা'র শুভেচ্ছা! পরিবার ও পরিজনকে নিয়ে আপনার ঈদ কাটুক আনন্দে ও নিরাপদে। 🐐🐄
❤‍🔥21❤1
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের দ্রুত প্রেমে পড়ার প্রবণতা রয়েছে। গবেষকরা প্রায় ৩৩ টি দেশের ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী ৮০৮ জন মানুষের মধ্যে জরিপ চালিয়েছেন এবং তাদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তাদের প্রেমে পড়ার অভিজ্ঞতার ব্যাপারে। এখানে যাদের তথ্য নেওয়া হয় তারা সবাই সেই সময়ে কারো না কারো প্রেমে মগ্ন ছিলেন।

Australian National University (ANU) এর Biological Anthropologist Adam Bode এর তথ্য অনুযায়ী, দেশগুলো ছিল উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের। মূলত এই সার্ভেতে অংশগ্রহণকারীরা কতটা দ্রুত প্রেমে পড়েন, কতবার প্রেমে পড়েন এবং তাদের সঙ্গীদের ওপর কতটা দূর্বল তারা এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ছেলেরা মেয়েদের অনেক আগেই, এমনকি রিলেশনশীপ স্থায়ী হওয়ার আগেই প্রেমে পড়ে যায়। মূলত ছেলে এবং মেয়েদের মধ্যে প্রেমে পড়ায় পার্থক্য প্রায় গড়ে ১ মাসের কাছাকাছি। মেয়েরা তাদের সঙ্গীর ব্যাপারে অনেকটা ভেবেচিন্তে এবং পর্যবেক্ষণ করার পরে সিদ্ধান্ত নেয়। আর তাদের প্রেমও হয় অনেকটা স্থায়ী। অপরদিকে ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় দ্রুত প্রেমে জড়ালেও তাদের ক্ষেত্রে কমিটমেন্ট দেখা যায় কম।
🤯4👀4💯3😍1🤣1
আগামী ১১ই জুন আকাশে দেখা মিলবে 'স্ট্রবেরি মুন' বা জুন মাসের সবচেয়ে বড় চাঁদের। এদিন পৃথিবী থেকে চাঁদের অবস্থান নিকটবর্তী হওয়ায় এবং সূর্যের থেকে চাঁদের অবস্থান সবচেয়ে দূরবর্তী হওয়ায় চাঁদ সবচেয়ে বড়ো দেখাবে। পরিপূর্ণ চাঁদ দেখা যাবে বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১:৪৫ মিনিটে। কিন্তু দিনের বেলা হ‌ওয়ায় মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ এই চাঁদ দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে।

এছাড়াও বুধবার সন্ধ্যায়‌ও দেখা যেতে পারে। এসময় চাঁদের ওপরে ডানদিকে অ্যান্টারেস নামক উজ্জ্বল তারা দৃশ্যমান হবে। অ্যান্টারেস পৃথিবী থেকে ৫৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত স্করপিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। পৃথিবীর কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার হ‌ওয়ায় এর নিকটবর্তী ও দূরবর্তী বিন্দু কল্পনা করা যায়। দূরবর্তী বিন্দুকে বলা হয় অ্যাফেলিয়ন। চাঁদ যখন পরিপূর্ণ দেখা যায় তখন তা সূর্যের বিপরীতে থাকে এবং এক্ষেত্রে চাঁদ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে।
❤‍🔥7❤2🙏1
কাল রাতে প্রথম খবরটি দেখার পর আমরা অনেকেই আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় খবরটি একেবারেই সঠিক নয়। চাঁদে যাওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কেউ নির্বাবাচিত হয়নি৷

যেভাবে খবরের সুত্রপাত:

১. সবার প্রথমে বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক "The Business Standard" একটি নিউজ করে যেখানে বলা হয় রুথবা ইয়াসমিন নামে এক বাংলাদেশি নারী আমেরিকার স্পেশ নেশন নামের কোম্পানির মুন পায়োনিয়ার মিশন নামক এক প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন৷ যেখানে অংশগ্রহণকারী সবাই নারী ছিলেন। এই খবরেরই শেষের দিকে রুথবা আশা প্রকাশ করেন যে তিনি প্রথম নারী হিসেবে চাঁদে পা রাখবেন।

২. TBS এর এই নিউজ প্রকাশের পর The Headline নামক একটি বাইট সাইজ নিউজ পেইজ তাদের বরাত দিয়ে দাবি করে বসে রুথবা প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন৷ যদিও পরবর্তীতে তারা পোস্টারের হেডলাইন এবং ক্যাপশনে সামন্য পরিবর্তন করেন। কিন্তু ততক্ষণে হাজার হাজার শেয়ার হয়ে গেছে পোস্টটিতে।

৩. এর পরেই মূলত অন্যান্য বিভিন্ন অনলাইন পেইজ এবং পত্রিকা সরাসরি খবর ছড়াতে থাকে যে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন তিনি।

এ নিয়ে পুরো ঘটনার বিস্তারিত আমাদের ফেসবুক পেজে
🤣17😴2
বাবা দিবসের শুভেচ্ছা।😅

দিয়েগো নামের ১০০ বছর বয়সী কচ্ছপটি ৮০০ এর অধিক সন্তান জন্ম দিয়ে নিজের প্রজাতিকে বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছে!

১৯৭০ সালের দিকে দিয়েগোর প্রজাতি ছেলনইদিস হুদেন্সিস এর মাত্র ১৪টি কচ্ছপই জীবিত ছিল। যার মধ্যে ২ জন ছেলে এবং ১২ জন মেয়ে ছিল৷ তাদের রক্ষায় একটি ব্রিডিং বা প্রজনন প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়৷ সময়টা ছিল ১৯৬০ দশকের এর মধ্যভাগ৷ সেই ১৪টা কচ্ছপ থেকেই আজ এই প্রজাটির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০০০ এ।

যেখানে ২০২০ সাল পর্যন্ত অবসর নেওয়ার আগে ১০০ বছর বয়সী দিয়াগো একাই ৮০০ এর অধিক সন্তান এর পিতা হয়েছে৷ অর্থাৎ তাদের প্রজাতির ৪০% ই দিয়াগোর সন্তান! দিয়াগো না থাকলে হয়তো তাদের প্রজাতিকে কখনই বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যেত না।
🤩8❤7😁2🕊2😱1👾1
মাত্র ৩৫ বছরে কুমিরটি ১০,০০০ বাচ্চার বাবা হয়েছে! 😮
👀5🌚2😱1
৩০ বছর বয়সেই ৪৭ সন্তানের বাবা তিনি!
❤5😱5
অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমরা পেয়ে গেছি আদর্শ এবং সায়েন্স বী আয়োজিত "সায়েন্স ফিকশন কনটেস্ট" এর বিজয়ীদের৷

এবারের আয়োজনে জমা পড়েছিল ২০০ এরও অধিক গল্প। সেখান থেকে সেরা ২০ এবং সর্বশেষ আমাদের প্রধান বিচারক ইমতিয়াজ অর্নব ওরফে স্টোরিহেড বাছাই করেন সেরা ৫টি গল্প লেখককে৷ এবারের প্রতিযোগিতার প্রত্যেকটি গল্পই ছিল সেরা৷ কিছু গল্প ছিল থ্রিলে ভরা, আবার কিছু ছিল চরম কৌতুহল উদ্দীপক। এত সব গল্পের ভিড়ে শেষ পর্যন্ত প্রথম হয়েছেন আতিক হাসান রাহাতের লেখা "আম্মু ও লাল জামা গল্পটি"। এছাড়াও যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছেন নিখার সুলতানা নিঝুম এবং হাবিবা সুলতানা তানহা৷ পাশাপাশি ৪র্থ এবং ৫ম হয়েছেন যথাক্রমে আদিল এনায়েত তাজবিদ এবং মো: নাফিউল হক।

বিজয়ী ৫ জনের জন্যই থাকবে আদর্শ এর তরফ থেকে বই। এছাড়া সেরা ২০ জনের জন্য থাকছে সার্টিফিকেট৷

সেরা ২০জন লেখক এবং তাদের লেখা গল্পগুলো পড়তে চাইলে চেক করুন:

https://drive.google.com/file/d/1ql1kGRzhdyWiIUldrkzOuNQNxJ1hQuZz/view?usp=sharing
👍4
ঘটনাটা যুক্তরাজ্যের। ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি গাড়ি চালানোর সময় হাঁচি আটকানোর জন্য একইসাথে নাক চেপে ধরেন ও মুখ বন্ধ করেন। এরপরই তার গলা ব্যথা শুরু হয়। ঐ সময় তিনি hay fever এর উপসর্গে ভুগছিলেন।

ঐ ব্যক্তির কথাবার্তায় কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো সমস্যা হচ্ছিল না। তবে, চিকিৎসকরা তার গলার পরীক্ষা করার সময় হালকা “ক্র্যাক্লিং” শব্দ শুনতে পান। গলায় এক্স-রে করে দেখা যায়, ঘাড়ের ত্বকের নিচে বাতাস আটকে আছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিটি স্ক্যান করে তারা দেখতে পান ঘাড়ের তৃতীয় ও চতুর্থ কশেরুকার মাঝখানের শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়াতে রীতিমত ছিদ্র হয়ে গেছে! আয়তন ২x২ মিলিমিটার।

পরে চিকিৎসকরা তাকে দুই দিন হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সার্জারি ছাড়াই কিছু পেইন কিলার ও hay fever এর ওষুধ দেন, দুই সপ্তাহের জন্য কোনো কষ্টকর বা পরিশ্রমী কাজ করতে নিষেধ করেন। পাঁচ সপ্তাহ পর ফলো-আপ সিটিস্ক্যানে দেখা যায় শ্বাসনালির ছিদ্রটি সম্পূর্ণ সেরে গেছে।চিকিৎসকরা হাঁচি আটকে রাখা থেকে এই ধরনের সমস্যা ঐ লোকের ক্ষেত্রেই প্রথম প্রত্যক্ষ করেন। হাঁচি পেলে তা চেপে রাখবেন না। একটি হ্যাঁচ্ছু - ই পারে এই বিপদ থেকে আপনাকে রক্ষা করতে! 🤧
👍11❤2
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কচুরিপানা এবং রিসাইকেল জিন্স দিয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জুতা তৈরি করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলের ৪ শিক্ষার্থী।

বর্তমানে বাংলাদেশের জলাশয়ে যে কচুরিপানা দেখা যায় ১৫০ বছর আগেও এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না এখানে। মূলত ১৮৮৪ সালের দিকে ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গল থেকে এদেশে নিয়ে আসা হয় এটি। দেশের জন্য যেন এক অভিশাপ ছিল এই উদ্ভিদ। কারণ খুব সহজেই বংশ বিস্তার করতে পারে এটি। যার কারণে জলাশয়ে অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে মারা যায় অনেক মাছ এবং উদ্ভিদ।

কচুরিপানার এই সমস্যার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ডেনিম (জিন্সের প্যান্ট বা জ্যাকেট তৈরি হয় যে কাপড় দিয়ে) থেকে তৈরি বর্জ্য একটি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবছর ২.১৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন ডেনিম বর্জ্য তৈরি হয় যার বেশিরভাগেরই শেষ স্থান হয় ল্যান্ডফিলে৷

এত সব সমস্যা সমাধানে বুটেক্সের ৪ শিক্ষার্থী মিলে প্রথমবারের মত কচুরিপানা এবং অব্যবহৃত বা ফেলা দেওয়া ডেনিম কাপড় দিয়ে তৈরি করেছে পরিবেশ বান্ধব জুতা। যার নাম তারা দিয়েছে ইকো-স্টেপ। এই জুতার ইনসোল এবং ডেকোরেশনের কাজে ব্রেইড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কচুরিপানা।
এ নিয়ে বিস্তারিত আমাদেত ফেসবুক পেজে
❤28🥰1💯1
মিথ ১. আরে ফ্যাট মানেই তো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

= সব ফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের জন্য ভালো। এরা শরীরের কোলেস্টেরল প্রোফাইল উন্নত করে। ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই শরীরে শোষনের জন্য ফ্যাট দরকার। না হলে শরীর এই ভিটামিন গুলো পাবে না
❤11
আপনিও কি ফোনে কথা বলার সময় হাঁটেন কিংবা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করেন?
😱10
মুখের এক ফোঁটা লালা বলবে আপনি কতটা টেনশনে আছেন!মানসিক চাপ এখনকার জীবনের এক নীরব সঙ্গী। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, শরীরের ভেতরে ঠিক কতটা চাপ জমে আছে। এই সমস্যার সহজ সমাধান আনতে গবেষকরা তৈরি করেছেন একটি অভিনব ডেন্টাল ফ্লস, যা দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করার পাশাপাশি মুখের লালা থেকে স্ট্রেসের মাত্রাও পরিমাপ করতে পারে

এই ‘স্মার্ট ফ্লস’-এর ভেতরে রয়েছে কর্টিসল শনাক্তকারী একটি সেন্সর। কর্টিসল হলো একধরনের হরমোন, যা মানসিক চাপ বেড়ে গেলে লালায় নির্দিষ্ট পরিমাণে নিঃসৃত হয়। ফ্লসটি যখন ব্যবহার করা হয়, তখন এটি লালার নমুনা সংগ্রহ করে দ্রুত বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেয়। এতে আলাদা করে রক্ত পরীক্ষার দরকার নেই, সময়ও বাঁচে

এই প্রযুক্তির ভেতরে ব্যবহার করা হয়েছে eMIP নামের এক বিশেষ পলিমার পদ্ধতি, যা কম খরচে নির্ভুলভাবে কর্টিসল শনাক্ত করতে সক্ষম। গবেষকদের দাবি, ভবিষ্যতে একইভাবে গ্লুকোজ বা ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেতও শনাক্ত করা সম্ভব হবে

এখনও এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও, বাজারে আসলে এটি হতে পারে স্বাস্থ্য সচেতনতার এক নতুন অধ্যায়। দাঁতের যত্ন নিতে নিতে যদি মানসিক চাপের খবরও পাওয়া যায়, তবে তা নিঃসন্দেহে আধুনিক জীবনের জন্য এক চমৎকার সংযোজন
❤4👍1
ঘটনাটা যুক্তরাজ্যের। ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি গাড়ি চালানোর সময় হাঁচি আটকানোর জন্য একইসাথে নাক চেপে ধরেন ও মুখ বন্ধ করেন। এরপরই তার গলা ব্যথা শুরু হয়। ঐ সময় তিনি hay fever এর উপসর্গে ভুগছিলেন।

ঐ ব্যক্তির কথাবার্তায় কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো সমস্যা হচ্ছিল না। তবে, চিকিৎসকরা তার গলার পরীক্ষা করার সময় হালকা “ক্র্যাক্লিং” শব্দ শুনতে পান। গলায় এক্স-রে করে দেখা যায়, ঘাড়ের ত্বকের নিচে বাতাস আটকে আছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিটি স্ক্যান করে তারা দেখতে পান ঘাড়ের তৃতীয় ও চতুর্থ কশেরুকার মাঝখানের শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়াতে রীতিমত ছিদ্র হয়ে গেছে! আয়তন ২x২ মিলিমিটার।

পরে চিকিৎসকরা তাকে দুই দিন হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সার্জারি ছাড়াই কিছু পেইন কিলার ও hay fever এর ওষুধ দেন, দুই সপ্তাহের জন্য কোনো কষ্টকর বা পরিশ্রমী কাজ করতে নিষেধ করেন। পাঁচ সপ্তাহ পর ফলো-আপ সিটিস্ক্যানে দেখা যায় শ্বাসনালির ছিদ্রটি সম্পূর্ণ সেরে গেছে।চিকিৎসকরা হাঁচি আটকে রাখা থেকে এই ধরনের সমস্যা ঐ লোকের ক্ষেত্রেই প্রথম প্রত্যক্ষ করেন। হাঁচি পেলে তা চেপে রাখবেন না। একটি হ্যাঁচ্ছু - ই পারে এই বিপদ থেকে আপনাকে রক্ষা করতে!
😴7
বলুন তো ডাক্তার আসলে কে? 😏
❤6