চা খেতে না পারলেও কালকের ইমেইল রাইটিং সেশনের জন্য রেজিষ্ট্রেশন কিন্তু মাস্ট করা চাই! 😏
এখনই রেজিষ্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
এখনই রেজিষ্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
🍌3
বলুন তো? 🤔
একাডেমিক হোক বা প্রফেশনাল গুরুত্বপূর্ণ মেইল আসতে পারে যে কোনো সময়৷ সাথে রিপ্লাই কী ভাবে দিব সেটা জানাও অনেক জরুরী৷ তাই বিস্তারিত সব নিয়মকানুন জানতে আমাদের ইমেইল সেশনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
একাডেমিক হোক বা প্রফেশনাল গুরুত্বপূর্ণ মেইল আসতে পারে যে কোনো সময়৷ সাথে রিপ্লাই কী ভাবে দিব সেটা জানাও অনেক জরুরী৷ তাই বিস্তারিত সব নিয়মকানুন জানতে আমাদের ইমেইল সেশনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
❤1🕊1💯1
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ এবার হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের জ্বালানি ও জীবনধারণের উৎস। সম্প্রতি, চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং এর একদল গবেষক এমন একটি সৌরচালিত ফটোথার্মাল রিঅ্যাক্টর তৈরি করেছেন, যা চাঁদের মাটি অর্থাৎ রেগোলিথ ব্যবহার করে পানি, অক্সিজেন এবং জ্বালানির উপাদান উৎপন্ন করতে সক্ষম। চীনের চ্যাং’ই–৫ মিশনের মাধ্যমে সংগৃহীত মাটি ব্যবহার করে গবেষকরা দেখিয়েছেন, সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে যখন রেগোলিথকে প্রায় ১২০০ কেলভিন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়, তখন প্রতি গ্রামে ৫০–৭৬ মিলিগ্রাম পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। অর্থাৎ প্রতি টন রেগোলিথ থেকে প্রায় ৫০ কেজি পানি পাওয়া সম্ভব যা দৈনিক ৫০ জন মহাকাশচারীর প্রয়োজন মেটাতে পারে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কোনো অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ বা বিক্রিয়ার জন্য ক্যাটালিস্ট পৃথিবী থেকে বহন করার প্রয়োজন হয় না, ফলে মিশনের খরচ ও ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
তবে বাস্তবিক চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশ অত্যন্ত প্রতিকূল। তাপমাত্রার আচমকা পরিবর্তন , ধুলাবালি, তেজস্ক্রিয়তা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণের মত প্রভাবক প্রযুক্তিটির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে বাস্তবিক চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশ অত্যন্ত প্রতিকূল। তাপমাত্রার আচমকা পরিবর্তন , ধুলাবালি, তেজস্ক্রিয়তা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণের মত প্রভাবক প্রযুক্তিটির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
🤩2
আজ ডোরেমনের জন্মদিন! মাঙ্গা অনুযায়ী আজকের এই দিনে ২১১২ সালে ডোরেমনের জন্ম হয় জাপানের কাওয়াসাকি, কানাগাওয়া শহরে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ভবিষ্যতের জন্মদিন পালন করা হচ্ছে অতীতে! 😅
যাই হোক ছোটবেলায় ডোরেমন দেখেনি এমন মানুষ হয়তো খুব কমই আছে। ডোরেমন, নোবিতা এবং তার বন্ধুদের প্রত্যেকদিনে খুনসুটি এবং বিভিন্ন অভিযানের সাথেই যেন কেটেছে আমাদের ছোট বেলা। ডোরেমনের এনি হোয়ার ডোর কিংবা ব্যাম্বু কপ্টার ব্যবহার করতে চায়নি এমন মানুষ হয়তো কমই আছে। কল্পনার জগত হলেও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাওয়া এবং বাস্তবে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমাদের সবার মাঝে একটা সময় ছিলই৷ উদ্ভাবন, প্রযুক্তি কিংবা কল্পনার জগতের সাথে প্রথম ভালোবাসা তৈরির কারিগর কিন্তু এই ডোরেমনই!
যাই হোক ছোটবেলায় ডোরেমন দেখেনি এমন মানুষ হয়তো খুব কমই আছে। ডোরেমন, নোবিতা এবং তার বন্ধুদের প্রত্যেকদিনে খুনসুটি এবং বিভিন্ন অভিযানের সাথেই যেন কেটেছে আমাদের ছোট বেলা। ডোরেমনের এনি হোয়ার ডোর কিংবা ব্যাম্বু কপ্টার ব্যবহার করতে চায়নি এমন মানুষ হয়তো কমই আছে। কল্পনার জগত হলেও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাওয়া এবং বাস্তবে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমাদের সবার মাঝে একটা সময় ছিলই৷ উদ্ভাবন, প্রযুক্তি কিংবা কল্পনার জগতের সাথে প্রথম ভালোবাসা তৈরির কারিগর কিন্তু এই ডোরেমনই!
❤39🥰3👾2
পৃথিবীর বড় কোম্পানীগুলোর মধ্যে একটি মাইক্রোসফট। কোম্পানিটি ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করেছে। পরিমাণটা বেশি হয়ে থাকলেও তাদের এই কার্বন ফুটপ্রিন্ট মুছতে সম্প্রতি তারা 'ভল্টেড ডিপ' নামক একটি স্টার্টআপের সাথে চুক্তি করেছে। মূলত মানুষের এবং বিভিন্ন প্রাণীর মল ইত্যাদি একসাথে মিক্স করে সেটা মাটি থেকে ৫,০০০ ফুট গভীরে চাপা দিয়ে কার্বন রিমোভাল ক্রেডিট আর্ন করবে তারা। প্রতি ১ টন কার্বন চাপা দেয়ার জন্য তারা ১টা করে কার্বন রিমোভাল ক্রেডিট পাবে। যেটা তাদের কর্পোরেট হিসেব খাতায় কার্বন নিউট্রাল কোম্পানি হতে সাহায্য করবে।
ভল্টেড ডিপের এ পদ্ধতিটি একটু ফিউচারিস্টিক মনে হলেও আমেরিকার লস এঞ্জেলেস, ডার্বি, কানাস শহরগুলো ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। তাছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতি প্রায় দশক ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভল্টেড ডিপ শুধু পুরোনো পদ্ধতিকে রিপার্পোস করে ব্যবহার করবে, তারা মল জাতীয় সব বর্জ্যকে মিক্স করে সেটাকে ভূগর্ভের গভীরে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখবে যাতে কার্বন নিঃসরিত হতে না পারে।
ভল্টেড ডিপের এ পদ্ধতিটি একটু ফিউচারিস্টিক মনে হলেও আমেরিকার লস এঞ্জেলেস, ডার্বি, কানাস শহরগুলো ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। তাছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতি প্রায় দশক ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভল্টেড ডিপ শুধু পুরোনো পদ্ধতিকে রিপার্পোস করে ব্যবহার করবে, তারা মল জাতীয় সব বর্জ্যকে মিক্স করে সেটাকে ভূগর্ভের গভীরে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখবে যাতে কার্বন নিঃসরিত হতে না পারে।
💯7❤1
আজকের আকাশের চাঁদটা দেখেছেন? ছবি দেন তো দেখি!
২০২৩ সালের অক্টোবরের আংশিক চন্দ্রগ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়নি। আজ সারাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। রাত ৯:২৮ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। পূর্ণতা বা ব্লাড মুনের স্থায়িত্ব হবে প্রায় ৮২ মিনিট।
২০২৩ সালের অক্টোবরের আংশিক চন্দ্রগ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়নি। আজ সারাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। রাত ৯:২৮ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। পূর্ণতা বা ব্লাড মুনের স্থায়িত্ব হবে প্রায় ৮২ মিনিট।
❤19
আগামীকালকের দিনে মোবাইল একটু কম চালিয়ে ঘুমান দেখি! 😮💨
সারা সপ্তাহ স্কুল - অফিস বা অন্যান্য কারণে সবারই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে নতুন গবেষণা অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যদি আপনি একটু বেশি ঘুমিয়ে নেন, তাহলে বাকি দিনগুলোর ঘুমের চাহিদা তো পুরন হয়-ই, পাশাপাশি আপনার হার্ট এর বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ২০% কমে যায়।
সারা সপ্তাহ স্কুল - অফিস বা অন্যান্য কারণে সবারই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে নতুন গবেষণা অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যদি আপনি একটু বেশি ঘুমিয়ে নেন, তাহলে বাকি দিনগুলোর ঘুমের চাহিদা তো পুরন হয়-ই, পাশাপাশি আপনার হার্ট এর বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ২০% কমে যায়।
❤35😴3😭2💯1
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে থাকা বিশ্বাসগুলো কি শুধুই বিশ্বাস, নাকি অমূলক সংস্কার? কিছু ধারণা কি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা এক একটি ভ্রান্তির শরীর? সময় এসেছে বিজ্ঞানের ধারালো ছুরিতে সেই শরীরের, প্রতিটি প্রচলিত ধারণাকে ব্যবচ্ছেদ করে তার ভেতরের সত্য-মিথ্যা বের করার।
এই লক্ষ্যেই ‘Science Bee’ আয়োজন করেছে এক বিশেষ প্রতিযোগিতা – ‘কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ’। আপনার যুক্তিনিষ্ঠ লেখনী দিয়ে প্রচলিত কোনো কুসংস্কারের চুলচেরা বিশ্লেষণ করুন বিজ্ঞানের আলোকে
যা থাকা চাইঃ
১/ কুসংস্কারের পরিচিতিঃ যে নির্দিষ্ট কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসটি নিয়ে লিখছেন তার বিশদ বিবরণ। কুসংস্কারটি আপনার এলাকায় প্রচলিত হতে হবে। বিবরণ লিখতে হবে গল্পের ছলে।
২/ উৎপত্তি ও প্রেক্ষাপটঃ ধারণাটির ঐতিহাসিক বা সামাজিক উৎস এবং কীভাবে এটি সমাজে বিস্তার লাভ করেছে তার বিশ্লেষণ।
৩/ বৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদঃ সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের বিপরীতে অকাট্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি, প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন। কেন এটি অবৈজ্ঞানিক, তার গভীর বিশ্লেষণ।
৪/ তথ্যসূত্রঃ আপনার উপস্থাপিত প্রতিটি তথ্যের সমর্থনে নির্ভরযোগ্য বই, জার্নাল বা বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইটের সূত্র উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন করুন
এই লক্ষ্যেই ‘Science Bee’ আয়োজন করেছে এক বিশেষ প্রতিযোগিতা – ‘কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ’। আপনার যুক্তিনিষ্ঠ লেখনী দিয়ে প্রচলিত কোনো কুসংস্কারের চুলচেরা বিশ্লেষণ করুন বিজ্ঞানের আলোকে
যা থাকা চাইঃ
১/ কুসংস্কারের পরিচিতিঃ যে নির্দিষ্ট কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসটি নিয়ে লিখছেন তার বিশদ বিবরণ। কুসংস্কারটি আপনার এলাকায় প্রচলিত হতে হবে। বিবরণ লিখতে হবে গল্পের ছলে।
২/ উৎপত্তি ও প্রেক্ষাপটঃ ধারণাটির ঐতিহাসিক বা সামাজিক উৎস এবং কীভাবে এটি সমাজে বিস্তার লাভ করেছে তার বিশ্লেষণ।
৩/ বৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদঃ সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের বিপরীতে অকাট্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি, প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন। কেন এটি অবৈজ্ঞানিক, তার গভীর বিশ্লেষণ।
৪/ তথ্যসূত্রঃ আপনার উপস্থাপিত প্রতিটি তথ্যের সমর্থনে নির্ভরযোগ্য বই, জার্নাল বা বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইটের সূত্র উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন করুন
❤3
১ বছরেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত হল সায়েন্স বী'র মিটআপ। ঢাকার ধানমন্ডী এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে টিম মেম্বার এবং এলামনাইদের সাথে নিয়ে পালিত হয় আমাদের অনুষ্ঠানটি। গল্প-আড্ডা, রিফ্রেশমেন্ট, লটারি, ছবি তোলা এবং সর্বশেষ কেক কাটার মধ্যে দিয়ে পরিপূর্ণাতা লাভ করে আমাদের মিলনমেলা।
এলামনাইদের অংশগ্রহণ আমাদেরকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে৷ সায়েন্স বী'কে আমরা মনে করি একটা পরিবার। তাই আমাদের টিম ছেড়ে চলে গেলেও পরিবারের মানুষটি যেন সব সময় আমাদের সাথে রয়েই যায়৷ সায়েন্স বী'র বেশিরভাগ টিম মেম্বার এবং এলামনাইরা সব সময় আগলে রাখে প্রতিষ্ঠানটিকে। তাদের এই ভালোবাসা সবসময় অটুট থাকুক এটাই প্রত্যাশা।
এলামনাইদের অংশগ্রহণ আমাদেরকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে৷ সায়েন্স বী'কে আমরা মনে করি একটা পরিবার। তাই আমাদের টিম ছেড়ে চলে গেলেও পরিবারের মানুষটি যেন সব সময় আমাদের সাথে রয়েই যায়৷ সায়েন্স বী'র বেশিরভাগ টিম মেম্বার এবং এলামনাইরা সব সময় আগলে রাখে প্রতিষ্ঠানটিকে। তাদের এই ভালোবাসা সবসময় অটুট থাকুক এটাই প্রত্যাশা।
❤29
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে থাকা বিশ্বাসগুলো কি শুধুই বিশ্বাস, নাকি অমূলক সংস্কার? কিছু ধারণা কি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা এক একটি ভ্রান্তির শরীর? সময় এসেছে বিজ্ঞানের ধারালো ছুরিতে সেই শরীরের, প্রতিটি প্রচলিত ধারণাকে ব্যবচ্ছেদ করে তার ভেতরের সত্য-মিথ্যা বের করার।
এই লক্ষ্যেই ‘Science Bee’ আয়োজন করেছে এক বিশেষ প্রতিযোগিতা – ‘কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ’। আপনার যুক্তিনিষ্ঠ লেখনী দিয়ে প্রচলিত কোনো কুসংস্কারের চুলচেরা বিশ্লেষণ করুন বিজ্ঞানের আলোকে
যা থাকা চাইঃ
১/ কুসংস্কারের পরিচিতিঃ যে নির্দিষ্ট কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসটি নিয়ে লিখছেন তার বিশদ বিবরণ। কুসংস্কারটি আপনার এলাকায় প্রচলিত হতে হবে। বিবরণ লিখতে হবে গল্পের ছলে।
২/ উৎপত্তি ও প্রেক্ষাপটঃ ধারণাটির ঐতিহাসিক বা সামাজিক উৎস এবং কীভাবে এটি সমাজে বিস্তার লাভ করেছে তার বিশ্লেষণ।
৩/ বৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদঃ সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের বিপরীতে অকাট্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি, প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন। কেন এটি অবৈজ্ঞানিক, তার গভীর বিশ্লেষণ।
৪/ তথ্যসূত্রঃ আপনার উপস্থাপিত প্রতিটি তথ্যের সমর্থনে নির্ভরযোগ্য বই, জার্নাল বা বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইটের সূত্র উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন করুন
এই লক্ষ্যেই ‘Science Bee’ আয়োজন করেছে এক বিশেষ প্রতিযোগিতা – ‘কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ’। আপনার যুক্তিনিষ্ঠ লেখনী দিয়ে প্রচলিত কোনো কুসংস্কারের চুলচেরা বিশ্লেষণ করুন বিজ্ঞানের আলোকে
যা থাকা চাইঃ
১/ কুসংস্কারের পরিচিতিঃ যে নির্দিষ্ট কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসটি নিয়ে লিখছেন তার বিশদ বিবরণ। কুসংস্কারটি আপনার এলাকায় প্রচলিত হতে হবে। বিবরণ লিখতে হবে গল্পের ছলে।
২/ উৎপত্তি ও প্রেক্ষাপটঃ ধারণাটির ঐতিহাসিক বা সামাজিক উৎস এবং কীভাবে এটি সমাজে বিস্তার লাভ করেছে তার বিশ্লেষণ।
৩/ বৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদঃ সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের বিপরীতে অকাট্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি, প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা উপস্থাপন। কেন এটি অবৈজ্ঞানিক, তার গভীর বিশ্লেষণ।
৪/ তথ্যসূত্রঃ আপনার উপস্থাপিত প্রতিটি তথ্যের সমর্থনে নির্ভরযোগ্য বই, জার্নাল বা বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইটের সূত্র উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন করুন
Journal of Social and Personal Relationships-এ প্রকাশির এক গবেষণা মতে ছেলে-মেয়ে নন-সে*ক্সুয়াল বন্ধু হতে পারে না, কারণ মেয়েবন্ধুর থেকেও ছেলেবন্ধু বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুর প্রতি বেশি আকর্ষণ অনুভব করে, সে নিজে অথবা বান্ধবী রিলেশনশিপে থাকলেও। একই গবেষণার দ্বিতীয় পর্বে দেখা যায় মেয়েবন্ধু যদি বর্তমান রিলেশনশিপে সুখী না থাকে, সে ছেলেবন্ধুর প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ার সম্ভবনা থাকে।
আপনার কী মনে হয়? ছেলে-মেয়ে শুধুই বন্ধু হতে পারে?
আপনার কী মনে হয়? ছেলে-মেয়ে শুধুই বন্ধু হতে পারে?
💯7❤2
ধরুন,আপনি পাশের বাসায় এক চামচ চিনির জন্য গেলেন বা ছোটখাট কোন জিনিস বা সাহায্যের জন্য গেলেন!আপনার কাছে হয়ত একটু ইতস্তত বোধ হতে পারে!অথচ,আমাদের মা-বাবাদের যুগেই এটি বেশ সাধারন একটি ব্যাপার ছিল!অবাক করা বিষয় হচ্ছে,বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন হতে,ছোট হোক বা বড়,যেকোনো ছোট-বড় ভাল বা দরকারি কাজে, স্রেফ সাহায্য চাওয়াই মানবিক সংযোগের দিক দিয়েই নয় বরং স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী
আমাদের পূর্বপুরুষ, এবং একদম আদিযুগ থেকেই, সহযোগিতা ছিল বেঁচে থাকার অপরিহার্য উপায়, যা শিকার থেকে শুরু করে সন্তান জন্মদানের মতো কাজেও সহায়ক ছিল। এই সামাজিক সংযোগের প্রয়োজন আমাদের বিবর্তনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, একাকিত্ব ও সামাজিক প্রত্যাখ্যান মস্তিষ্কে সেই অংশকে সক্রিয় করে যেটি শারীরিক ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই, সামাজিক বঞ্চনা মানসিক ও শারীরিকভাবেও বেদনাদায়ক হয়। বেশ ভাল ব্যাপার হচ্ছে,যখন আমরা অন্যের সাহায্য চাই, তখন আমরা অন্যদেরও একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার সুযোগ দেই, যা মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতাকে উন্নত করে। গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, কারও সঙ্গে সমস্যা ভাগ করে নিলে চাপ কমে, সমস্যার সমাধানে সহায়তা হয় এবং সম্পর্কগুলো আরও মজবুত হয়।
আমাদের পূর্বপুরুষ, এবং একদম আদিযুগ থেকেই, সহযোগিতা ছিল বেঁচে থাকার অপরিহার্য উপায়, যা শিকার থেকে শুরু করে সন্তান জন্মদানের মতো কাজেও সহায়ক ছিল। এই সামাজিক সংযোগের প্রয়োজন আমাদের বিবর্তনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, একাকিত্ব ও সামাজিক প্রত্যাখ্যান মস্তিষ্কে সেই অংশকে সক্রিয় করে যেটি শারীরিক ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই, সামাজিক বঞ্চনা মানসিক ও শারীরিকভাবেও বেদনাদায়ক হয়। বেশ ভাল ব্যাপার হচ্ছে,যখন আমরা অন্যের সাহায্য চাই, তখন আমরা অন্যদেরও একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার সুযোগ দেই, যা মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতাকে উন্নত করে। গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, কারও সঙ্গে সমস্যা ভাগ করে নিলে চাপ কমে, সমস্যার সমাধানে সহায়তা হয় এবং সম্পর্কগুলো আরও মজবুত হয়।
❤12🌚1
Science Bee TG
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে থাকা বিশ্বাসগুলো কি শুধুই বিশ্বাস, নাকি অমূলক সংস্কার? কিছু ধারণা কি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা এক একটি ভ্রান্তির শরীর? সময় এসেছে বিজ্ঞানের ধারালো ছুরিতে সেই শরীরের, প্রতিটি প্রচলিত ধারণাকে ব্যবচ্ছেদ করে তার ভেতরের সত্য-মিথ্যা…
সেরা লেখকদের জন্য যা থাকছে:
১/ সেরা ১০ জনঃ নির্বাচিত সেরা ১০টি আর্টিকেল নিয়ে প্রকাশিত হবে আমাদের বিশেষ ই-বুক "কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ"। যেখানে আপনাদের লেখা সেরা ১০টি লেখা থাকবে। বিজয়ী সকল লেখককে ই-বুকের একটি করে কপি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।
২/ সেরা ৫ জনঃ সেরা ৫ জন লেখককে ‘Science Bee’ এর অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে Feature করা হবে।
৩/ সেরা ৩ জন আকর্ষণীয় গিফট এবং সার্টিফিকেট পাবেন।
লেখা জমা দেওয়ার নিয়মাবলীঃ
লেখা জমা দেওয়ার জন্য কমেন্টের গুগল ফর্মটি পূরণ করতে হবে।
এই প্রতিযোগিতার জন্য কোনো নির্দিষ্ট শব্দসীমা নেই। আপনার বিশ্লেষণকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ১৫০০ শব্দের উর্ধ্বে যত শব্দ প্রয়োজন, ব্যবহার করতে পারেন। এবং আপনি একধিক বিষয়ে একাধিক লেখাও জমা দিতে পারেন।
Apply Now: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScV49rAvXrCvxj_aP_g7Rh996G-iF_0JxKYbP4rMyFsLwFccA/viewform
১/ সেরা ১০ জনঃ নির্বাচিত সেরা ১০টি আর্টিকেল নিয়ে প্রকাশিত হবে আমাদের বিশেষ ই-বুক "কুসংস্কারের ব্যবচ্ছেদ"। যেখানে আপনাদের লেখা সেরা ১০টি লেখা থাকবে। বিজয়ী সকল লেখককে ই-বুকের একটি করে কপি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।
২/ সেরা ৫ জনঃ সেরা ৫ জন লেখককে ‘Science Bee’ এর অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে Feature করা হবে।
৩/ সেরা ৩ জন আকর্ষণীয় গিফট এবং সার্টিফিকেট পাবেন।
লেখা জমা দেওয়ার নিয়মাবলীঃ
লেখা জমা দেওয়ার জন্য কমেন্টের গুগল ফর্মটি পূরণ করতে হবে।
এই প্রতিযোগিতার জন্য কোনো নির্দিষ্ট শব্দসীমা নেই। আপনার বিশ্লেষণকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ১৫০০ শব্দের উর্ধ্বে যত শব্দ প্রয়োজন, ব্যবহার করতে পারেন। এবং আপনি একধিক বিষয়ে একাধিক লেখাও জমা দিতে পারেন।
Apply Now: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScV49rAvXrCvxj_aP_g7Rh996G-iF_0JxKYbP4rMyFsLwFccA/viewform
🆒6❤1