Bangladesh
7.92K subscribers
732 photos
42 videos
56 links
Bangladeshi nature, culture, fashion, news and more.
Download Telegram
This is not about choosing sides anymore.
Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel.
What we are witnessing is something far more dangerous.
A conflict that is no longer limited to two or three countries.
It’s already pulling in multiple nations, and even those who are not directly involved are starting to feel the impact.
If this continues, the damage will not just be military.
It will be economic, humanitarian, and psychological.
And recovering from it will take years, maybe decades.
The real question is not who has more weapons.
Not who will win or who will lose.
The real question is,
who will have the courage to stop this?
Because in war, those who fight often become nothing more than names on a list of the dead.
And those who cheer for war from a distance are, in truth, the biggest fools of all.
Someone, somewhere, needs to say it clearly:
Enough. Stop this war.

#StopTheWar #NoWar #PeaceNow #PrayForPeace #WorldPeace #CeasefireNow #StopWarNow #HumanityFirst #WarIsNotTheAnswer #GivePeaceAChance #NoMoreWar #PeaceOverWar #DiplomacyNotWar #SaveLives #StopViolence #GlobalPeace #EndTheWar #WarKills #ChoosePeace #StandForPeace #PeaceForAll #StopTheConflict #PrayForHumanity #VoicesForPeace #EndWarNow
❤14
1❤20🥰4🤬2🕊1
Telegram is a platform that reveals everyone's secrets, but it is not the owner who does it, but the users. That's why platforms like Telegram are very important. I am always by Telegram's side. Are you there?
👍4❤2
> Donald Trump said he would “send Iran back to the Stone Age.”



Sounds like someone still stuck in the Stone Age mentally, confusing reckless threats with leadership.
When noise replaces intelligence, even a microphone can look more qualified than the man using it.
1❤7👍3👏3
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে।
❤7👍4
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা।
আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।
গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে।
আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল।
এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে।

#RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship
❤12😁4
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।

আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।

১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।

১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।

বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।

১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।

আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।

ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।

পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।

তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।

ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।

ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।

এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
❤9😁2
দুই বছর আগের কথা চিন্তা করেন—তখন এই দেশের মানুষের দাবি আছিল চার লেন-আট লেনের মহাসড়ক, উড়াল সড়ক, মেট্রোরেলে চইড়া অফিস যাওয়া, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়া জ্যাম ছাড়াইয়া ওড়া! পদ্মা সেতুর মতো অকল্পনীয় হাজারো স্বপ্ন তখন চোখের সামনে সত্যি হইতাছিল।
রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ, গভীর সমুদ্র বন্দর, আইটি পার্ক আর উপজেলায় উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়া মানুষ ভাবতো—উন্নয়নের এক মহাকাব্য লেখা হইতেছিল শহর থেইকা গ্রামে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আছিল ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ’। #VisionBangladesh

আর এখন? দুই বছর পরের সিনারিও দেখেন—মানুষের দাবি এখন কোন নর্দমায় আইসা ঠেকছে! মানুষের এখনকার আর্তনাদ হইলো—
“ভাই, ২ লিটার তেল দে, গাড়ি চালামু...৫ লিটার অকটেন দে বাইক চালামু, ডেলিভারি দিমু, সংসার খরচ লাগবো।

“আমার বাচ্চাটারে হামের টিকা দে, নাইলে তো মইরা যাইবো...”

“সারাদিনে অন্তত ১০-১২ ঘণ্টা কারেন্ট দে, গরমে তো সিদ্ধ হইয়া গেলাম...”

“সেঁচের পানি আর সার দে, নাইলে তো না খাইয়া মরতে হইবো...”

“চাল-ডালের দাম একটু কমা, ওষুধের দাম কমা—সংসার আর চলে না।

আগে শেখ হাসিনার আমলে দরিদ্র মানুষ কী পাইতো? নিজের এক টুকরা জমি পাইতো, লগে ইটের তৈরি পাকা ঘর! ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রজেক্ট দিয়া মানুষ নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতো। প্রণোদনা পাইতো, গরিব, বৃদ্ধ, বিধবা, বেকার।

আর এখনকার ভণ্ড সরকার কী দিতাছে? মাসের শেষে ওই ২১০ টাকার ‘ফকিন্নির’ কৃষক কার্ড! ফ্যামিলি কার্ড, গ্যাস কার্ড—কার্ডের পর কার্ড ধরায়া দিতেছে, কিন্তু পেটে ভাত নাই, জীবনে স্বস্তি নাই।

আগে মানুষ দেশের উন্নয়ন আর বড় স্বপ্ন নিয়া আলোচনা করতো। হাজারো বিদেশি কোম্পানি এসে ইনভেস্ট করত, পাসপোর্ট এর মান উন্নত দেশের পাশাপাশি চলে এসেছিল।
আর এখন ভিসা দিতে চাচ্ছে না।

আর এখনকার আলোচনার বিষয় হইলো—কাইলকা জিন্দা থাকমু তো? আগে আলোচনা আছিল আকাশছোঁয়া অগ্রগতি, আর এখন হইলো কোনোমতে টিকে থাকা।

তাই প্রশ্নটা এক্কেরে সোজাসাপ্টা—পতনটা আসলে কার হইলো? হাসিনা তো মাথা উঁচু কইরাই গেছে, কিন্তু পতনটা হইলো এই দেশের আর তোদের মতো সাধারণ মানুষের জীবনের। উন্নয়নের জোয়ার থেইকা টাইনা তুইলা তোদের এক্কেরে কার্ডের ভিক্ষারি বানায়া ছাড়লো এই ‘সুদখোর’ গুষ্টি।
কারণ দেশ উন্নত থাকলে দেশের ইনফ্রাস্ট্রাকচার যোগাযোগ ব্যবস্থা সবকিছু উন্নতি থাকলে এনজিও কোম্পানি ফতুর হয়ে যাবে, সুদের ব্যবসা উঠে যাবে। দেশের ভিতরে গরিব থাকলে বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে আনা যাবে এবং সেখান থেকে তাদের টাকা ইনকাম করা ধান্দা থাকবে।

এখন কার্ড চাবায়া ক্ষিদা মিটা, আর ভুলটা বোঝার চেষ্টা কর যে আসলে কী হারাইলি! ✌️

✍️__বারখার ডাইরি (পৃষ্ঠা ৩২৩৯)

শুভ সকাল।
5❤29😁6👏4
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
like,share and subscribe please
❤10🤬4
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত সফট পাওয়ার ব্যবহার করেননি কারণ দলের মধ্যে অনেকগুলো গাদ্দার ঢুকে পড়েছে তাদেরকে ধরার জন্য। কোন দেশদ্রোহী রেহাই পাবে না কারণ এখন শো টাইম
❤14😁8🤬5
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟

আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভারার ৯৭তম জন্মবার্ষিকী। ছোটবেলা থেকেই আমি তাকে সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচার ও সাম্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে দেখেছি।

চে এর জীবন ছিল তার অসাধারণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্বের জন্য তার নিরলস সাধনা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। নিপীড়িতদের প্রতি তার অঙ্গীকার, বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তার আদর্শের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার ইচ্ছা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কিউবান বিপ্লবে তার ভূমিকা হোক বা বলিভিয়ায় তার প্রচেষ্টা, চে-এর প্রভাব অনস্বীকার্য এবং চিরস্থায়ী।

চে এর সম্পর্কে আমি যা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করি তা কেবল তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তার চরিত্রের সত্যতা এবং শক্তি। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ এবং বিপদ সত্ত্বেও তার নীতি অনুসারে জীবনযাপন করার ক্ষমতা তাকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে আলাদা করে। এমন একজন নেতা যিনি প্রতিকূলতার মুখেও এমন একটি বিশ্বের জন্য লড়াই করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেখানে স্বাধীনতা এবং সাম্য বিকশিত হতে পারে।

আজ আমরা যখন তাকে স্মরণ করছি, তখন আমরা কেবল একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেই নয়, বরং প্রতিরোধ, সততা এবং ত্যাগের এক অবিচল চেতনাকে সম্মান জানাচ্ছি। আমি সর্বদা চে গুয়েভারাকে একজন মহান নেতা হিসেবে বিবেচনা করব এবং সেই শ্রদ্ধা ও প্রশংসা আমার কাছে আজীবন থাকবে।
❤16😁2
লোকটার বয়স ৩৮ বছর।
ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে।

তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০।
কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে।

এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে।

আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক।
কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই।
ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প।
কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা।

তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না।

মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে।
৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া।
ডেডিকেশন মানে এইটাই।

ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো।

মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না।
তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো।

লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে।
তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল?
❤47👍10😁4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Did you know one of the world's most infamous coffees begins with an animal's digestive system?

This is kopi luwak, a coffee made using coffee beans that have passed through the digestive system of the Asian palm civet. The civet eats ripe coffee cherries, but the beans inside aren't completely digested. After being naturally deposited, the beans are collected, cleaned, dried, and roasted.

The digestion can alter the beans' chemistry, contributing to the distinctive characteristics associated with kopi luwak.
Would you actually try it?
❤14🤯4😱1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
সৌদির মসজিদের নামাজের এলাকার বাহিরের চত্তরে দুই বাংলাদেশী নারী পুরুষের চুম্বনের ঘটনার নতুন মোড়! মৃত্যুদণ্ড এবং ফাঁস হলো আড়ালের সকল তথ্য !! প্রবাসীর এক ভুলে জীবন শেষ। LINK: youtu.be/r7JrtWWgfiQ
😢2🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
২০১০ সালে শেখ হাসিনার উদ্যোগে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মওকুফে ব্লাড মানি দেওয়া হয়েছিল। আর এবার সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের খবর সরকার জানল সৌদি পত্রিকায়! এখন শুধু লাশ ফেরত চেয়ে দায় সারছে। এটাই সদিচ্ছা আর ব্যর্থতার পার্থক্য!
#Bangladesh #SaudiArabia
#HumanRights #প্রবাসী
🤬3❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই আধুনিক বিশ্বে আমরা দাস সরবরাহকারী রাষ্ট্র। মিসকিন জাতির জীবনের মূল্য দেশেও নেই, বিদেশেও নেই!

শ্রম নীতি নেই, শ্রমিক চুক্তি নেই, আসামী বিনিময় চুক্তি নেই। বর্বর সৌদিরা দুজন বাংলাদেশিকে হ/ত্যা করলো, মিসকিন দেশের মিসকিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এটা থেকে বড় শিক্ষা নিতে বললো!
❤3😢1
সৌদিতে থাকা একজন পাকিস্তানি কুলাঙ্গার নাগরিক ষড়যন্ত্র করে গোপনে বাংলাদেশি দুই নাগরিকের পিছন দিক থেকে একটি ছবি তুলে ১ম সৌদি সরকারকে তথ্য সরবরাহ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে সহায়তা করেছে। পাকিস্তান যে বাংলাদেশের আজন্ম শত্রু সেটা সৌদির ঘটনায় আবার প্রমাণিত হলো। ধিক্কার জানাই 😡😡
2😁13❤7😢4