রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন —
তিনজনের দুআ কবুল হয়—
- মজলুমের দুআ,
- মুসাফিরের দুআ; এবং
- সন্তানের জন্য পিতার দুআ
ইমাম বুখারী (রাহ.)
আল আদাবুল মুফরাদ, হা: ৪৮১
শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ
তিনজনের দুআ কবুল হয়—
- মজলুমের দুআ,
- মুসাফিরের দুআ; এবং
- সন্তানের জন্য পিতার দুআ
ثَلَاثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٍ: دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ، وَدَعْوَةُ الْوَالِدِ عَلَى
وَلَدِهِ
ইমাম বুখারী (রাহ.)
আল আদাবুল মুফরাদ, হা: ৪৮১
শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ
❤18
আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা ডাকে, তাদের তোমরা গালি দিও না। কেননা তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে।
.
আনআম : ১০৮
.
আনআম : ১০৮
👍6❤4
এক চুমুক সীরাত
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তায়েফবাসীদের তাঁর প্রতি ঈমান আনার এবং তাঁর সহযোগিতা করার আহবান জানালেন, কিন্তু তারা তাঁর এ আহবানে সাড়া দিল না, তখন তিনি হেরা পর্বতে চলে গেলেন। এরপর তিনি আখনাস ইবনে শুরায়ক এবং সুহায়ল ইবন আমরের কাছে তাঁর আশ্রয় চেয়ে খবর পাঠালে তাদের সবাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে মুতঈম ইবন আদী তাঁকে আশ্রয় দান করেন।
চুক্তিপত্র বাতিল এবং ছিড়ে ফেলার ব্যাপারে মুতঈম ইবনে আদী অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং আগ্রণী ভুমিকা পালন করেছিলেন।
.
সীরাতুন নবী (সা)-২য় খন্ড
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তায়েফবাসীদের তাঁর প্রতি ঈমান আনার এবং তাঁর সহযোগিতা করার আহবান জানালেন, কিন্তু তারা তাঁর এ আহবানে সাড়া দিল না, তখন তিনি হেরা পর্বতে চলে গেলেন। এরপর তিনি আখনাস ইবনে শুরায়ক এবং সুহায়ল ইবন আমরের কাছে তাঁর আশ্রয় চেয়ে খবর পাঠালে তাদের সবাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে মুতঈম ইবন আদী তাঁকে আশ্রয় দান করেন।
চুক্তিপত্র বাতিল এবং ছিড়ে ফেলার ব্যাপারে মুতঈম ইবনে আদী অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং আগ্রণী ভুমিকা পালন করেছিলেন।
.
সীরাতুন নবী (সা)-২য় খন্ড
❤15
এক চুমুক সীরাত
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন —
আমাকে যখন দরজার মুখে হাজির করা হল, তখন প্রশ্ন করা হল, ইনি কে, হে জিবরাইল?
জিবরাইল (আ) বললেন—
'মুহাম্মাদ!'
পুনরায় প্রশ্ন করা হলো—
'তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে?'
তিনি বললেন — হ্যা।
তখন সে ফেরেশতা আমার জন্য কল্যাণের দু'আ করলেন।
.
এই ফেরেশতার নাম 'ইসমাইল' যিনি বাবুল হাফাযা অর্থাৎ প্রহরীদের ফটক-এর দায়িত্বে নিযুক্ত।
.
সীরাতুন নবী (সা)
[সূত্র: ইবনে হিশাম (র.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ]
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন —
আমাকে যখন দরজার মুখে হাজির করা হল, তখন প্রশ্ন করা হল, ইনি কে, হে জিবরাইল?
জিবরাইল (আ) বললেন—
'মুহাম্মাদ!'
পুনরায় প্রশ্ন করা হলো—
'তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে?'
তিনি বললেন — হ্যা।
তখন সে ফেরেশতা আমার জন্য কল্যাণের দু'আ করলেন।
.
এই ফেরেশতার নাম 'ইসমাইল' যিনি বাবুল হাফাযা অর্থাৎ প্রহরীদের ফটক-এর দায়িত্বে নিযুক্ত।
.
সীরাতুন নবী (সা)
[সূত্র: ইবনে হিশাম (র.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ]
❤14
এক চুমুক সীরাত
.
হজ্জ শেষ করে বনূ আমির গোত্র দেশে ফিরে গেল। তাদের এক বয়োবৃদ্ধ মুরব্বী ছিল। অনেক তার বয়স। তাদের সাথে হজ্জে যাওয়ার শক্তি সে রাখত না। প্রতি বছর হজ্জ থেকে ফিরে এসে তাকে সে বছরের হজ্জের বিবরণ শোনাত। বরাবরের মত এ বছরও তারা ফিরে আসলে, সে তাদের কাছে হজ্জের ঘটনাবলী জিজ্ঞেস করল।
তারা বলল—এবার জনৈক কুরায়শী যুবক আমাদের কাছে এসেছিল। সে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর। তাঁর দাবি, সে নবী। আমাদেরকে তাঁর ধর্মাদর্শ গ্রহণ ও তাঁর পার্শ্বে দাড়াঁনোর দাওয়াত দিয়েছিল। আরও প্রস্তাব করেছিল, তাকে আমাদের দেশে নিয়ে আসি। এ কথা শুনে বৃদ্ধ মাথায় হাত দিল। তারপর বলল—
'হে বনু আমির! এর কি কোন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে? যা হারিয়েছ, তা কি আর ফিরে পাওয়া সম্ভব? আল্লাহর কসম! ইসমাইলের বংশে কেউ কখনও মিথ্যা নবুওয়াতের দাবি করেনি। তার দাবি সত্য। তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কি করে ভুল করলে?
.
—ইবনে হিশাম (র.)
[সূত্র: সীরাতুন নবী (সা.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ]
.
হজ্জ শেষ করে বনূ আমির গোত্র দেশে ফিরে গেল। তাদের এক বয়োবৃদ্ধ মুরব্বী ছিল। অনেক তার বয়স। তাদের সাথে হজ্জে যাওয়ার শক্তি সে রাখত না। প্রতি বছর হজ্জ থেকে ফিরে এসে তাকে সে বছরের হজ্জের বিবরণ শোনাত। বরাবরের মত এ বছরও তারা ফিরে আসলে, সে তাদের কাছে হজ্জের ঘটনাবলী জিজ্ঞেস করল।
তারা বলল—এবার জনৈক কুরায়শী যুবক আমাদের কাছে এসেছিল। সে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর। তাঁর দাবি, সে নবী। আমাদেরকে তাঁর ধর্মাদর্শ গ্রহণ ও তাঁর পার্শ্বে দাড়াঁনোর দাওয়াত দিয়েছিল। আরও প্রস্তাব করেছিল, তাকে আমাদের দেশে নিয়ে আসি। এ কথা শুনে বৃদ্ধ মাথায় হাত দিল। তারপর বলল—
'হে বনু আমির! এর কি কোন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে? যা হারিয়েছ, তা কি আর ফিরে পাওয়া সম্ভব? আল্লাহর কসম! ইসমাইলের বংশে কেউ কখনও মিথ্যা নবুওয়াতের দাবি করেনি। তার দাবি সত্য। তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কি করে ভুল করলে?
.
—ইবনে হিশাম (র.)
[সূত্র: সীরাতুন নবী (সা.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ]
❤10
আজকের আয়াত
.
"বল, আমাকে আমার রব্ব সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন (যা) সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, একনিষ্ঠ ইবরাহীমের পথ। সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।"
.
সূরা আন'আম
আয়াত : ১৬১
.
قُلۡ إِنَّنِي هَدَىٰنِي رَبِّيٓ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ دِينٗا قِيَمٗا مِّلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۚ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ
"বল, আমাকে আমার রব্ব সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন (যা) সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, একনিষ্ঠ ইবরাহীমের পথ। সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।"
.
সূরা আন'আম
আয়াত : ১৬১
❤17
পবিত্র কুরআনুল কারীমে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্য করা, তাঁর বিধান মেনে চলা, তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং তাঁর শিক্ষাদানের প্রজ্ঞা থেকে শিক্ষা গ্রহণের গুরুত্বের উপর বারবার জোর দেওয়া হয়েছে।
বেশ কিছু আয়াত একত্র করলে দেখায় যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ এর উপলব্ধি ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামের বার্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। Ilman Nafiya পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেইসব গুরুত্বপূর্ণ আয়াত একত্র করেছে, যা প্রত্যেক মুমিনের জীবনে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কর্তৃত্ব, তাঁকে অনুসরণ করার কর্তব্য এবং ওহীর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত তাঁর শিক্ষার ভূমিকার উপর আলোকপাত করে।
বেশ কিছু আয়াত একত্র করলে দেখায় যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ এর উপলব্ধি ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামের বার্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। Ilman Nafiya পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেইসব গুরুত্বপূর্ণ আয়াত একত্র করেছে, যা প্রত্যেক মুমিনের জীবনে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কর্তৃত্ব, তাঁকে অনুসরণ করার কর্তব্য এবং ওহীর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত তাঁর শিক্ষার ভূমিকার উপর আলোকপাত করে।
❤8
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
আয়াত । ১
আর আমি তো তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।
.
আল-আম্বিয়াঃ ১০৭
আয়াত । ১
وَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ إِلَّا رَحْمَةًۭ لِّلْعَـٰلَمِينَ
আর আমি তো তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।
.
আল-আম্বিয়াঃ ১০৭
❤11
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
.
তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্ট হয়নি এবং বিপথগামীও হয়নি। আর সে মনগড়া কথা বলে না। তাতো কেবল ওহী, যা তার প্রতি ওহীরূপে প্রেরণ করা হয়।
.
আন-নাজমঃ ২-৪
.
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ٢
وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ٣
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ٤
তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্ট হয়নি এবং বিপথগামীও হয়নি। আর সে মনগড়া কথা বলে না। তাতো কেবল ওহী, যা তার প্রতি ওহীরূপে প্রেরণ করা হয়।
.
আন-নাজমঃ ২-৪
❤16
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
.
যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে বিমুখ হল, তবে আমি তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক করে প্রেরণ করিনি।
.
আন-নিসা । ৮০
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যকে ঐচ্ছিক বা গৌণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি, বরং এটিকে আল্লাহর আনুগত্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি সরাসরি কুরআনিক নির্দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এগুলো প্রমাণ করে যে, রাসূসুল্লাহ (সাঃ) শুধু ওহীর বর্ণনাকারীই নন, বরং দ্বীনের বিষয়ে যাঁর নির্দেশ অবশ্যই পালন করতে হবে।
.
مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ ٱللَّهَ ۖ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًۭا ٨٠
যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে বিমুখ হল, তবে আমি তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক করে প্রেরণ করিনি।
.
আন-নিসা । ৮০
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যকে ঐচ্ছিক বা গৌণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি, বরং এটিকে আল্লাহর আনুগত্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি সরাসরি কুরআনিক নির্দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এগুলো প্রমাণ করে যে, রাসূসুল্লাহ (সাঃ) শুধু ওহীর বর্ণনাকারীই নন, বরং দ্বীনের বিষয়ে যাঁর নির্দেশ অবশ্যই পালন করতে হবে।
❤17
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
.
হে মুমিনগণ, তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর ও আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের। অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে প্রত্যার্পণ করাও- যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখ। এটি উত্তম এবং পরিণামে উৎকৃষ্টতর।
.
আন-নিসা । ৫৯
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যকে ঐচ্ছিক বা গৌণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি, বরং এটিকে আল্লাহর আনুগত্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি সরাসরি কুরআনিক নির্দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এগুলো প্রমাণ করে যে, রাসূসুল্লাহ (সাঃ) শুধু ওহীর বর্ণনাকারীই নন, বরং দ্বীনের বিষয়ে যাঁর নির্দেশ অবশ্যই পালন করতে হবে।
.
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَأُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ فَإِن تَنَـٰزَعْتُمْ فِى شَىْءٍۢ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌۭ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا ٥٩
হে মুমিনগণ, তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর ও আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের। অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে প্রত্যার্পণ করাও- যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখ। এটি উত্তম এবং পরিণামে উৎকৃষ্টতর।
.
আন-নিসা । ৫৯
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যকে ঐচ্ছিক বা গৌণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি, বরং এটিকে আল্লাহর আনুগত্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি সরাসরি কুরআনিক নির্দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এগুলো প্রমাণ করে যে, রাসূসুল্লাহ (সাঃ) শুধু ওহীর বর্ণনাকারীই নন, বরং দ্বীনের বিষয়ে যাঁর নির্দেশ অবশ্যই পালন করতে হবে।
❤9
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-
"আগুন যেভাবে সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয় তদ্রুপ আল্লাহ তাআলা কোনো মুসলিমের রোগের দ্বারা তার গুনাহসমূহ দূর করে দেন"
.
[ ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩০৯২, ইমাম ইবনু মুফলিহের (রাহ.) মতে হাসান- আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ২/২০০]
فَإِنَّ مَرَضَ الْمُسْلِمِ يُذْهِبُ اللَّهُ بِهِ خَطَايَاهُ، كَمَا تُذْهِبُ النَّارُ خَبَثَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ
"আগুন যেভাবে সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয় তদ্রুপ আল্লাহ তাআলা কোনো মুসলিমের রোগের দ্বারা তার গুনাহসমূহ দূর করে দেন"
.
[ ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩০৯২, ইমাম ইবনু মুফলিহের (রাহ.) মতে হাসান- আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ২/২০০]
❤18
পৃথিবীর প্রাসাদ মাটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। আর মাটিও ইসরাফিল (আ.)-এর ফুঁতকারের অপেক্ষায়। আকাশ-মাটি সব ধ্বংস হবে। দুনিয়ার প্রাসাদ তো দুনিয়ার চোখে নামমাত্র সুন্দর, কিন্তু রাতজাগা ইবাদতকারীদের জন্য রয়েছে, অবর্ণনীয় সুন্দরের জান্নাতি চিরস্থায়ী প্রাসাদ।
-মুফতি ফয়েজ হাবীব
-মুফতি ফয়েজ হাবীব
❤22
নাজাশি কোনো বিশেষ ব্যক্তির নাম নয়; বরং তৎকালীন আবিসিনিয়া সাম্রাজ্যের প্রত্যেক অধিপতিকেই সম্মানসূচক সম্বোধন হিসেবে নাজাশি বলা হতো। তদ্রূপ রোমান সাম্রাজ্যের অধিপতিকে কায়সার, পারস্য সাম্রাজ্যের অধিপতিকে কিসরা, মিশর ও আলেকজান্দ্রিয়ার শাসককে মুকাওকিস এবং তুর্কি সাম্রাজ্যের অধিপতিকে খাকান বলা হতো।
.
সীরাতের পাতায় উল্লেখিত নাজাশি বা হাবশা-রাজের নাম ছিল আসহামা বিন আবজার। তিনি সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, যার জন্য নবীজি (সা) গায়েবি জানাযা আদায় করেছিলেন। তিনি মক্কা বিজয়ের পূর্বেই ইন্তেকাল করেন।
সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ/ ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান। ফূটনোট
#ইতিহাস_টুকিটাকি
#ilmannafiya
.
সীরাতের পাতায় উল্লেখিত নাজাশি বা হাবশা-রাজের নাম ছিল আসহামা বিন আবজার। তিনি সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, যার জন্য নবীজি (সা) গায়েবি জানাযা আদায় করেছিলেন। তিনি মক্কা বিজয়ের পূর্বেই ইন্তেকাল করেন।
সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ/ ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান। ফূটনোট
#ইতিহাস_টুকিটাকি
#ilmannafiya
❤12👍1