সাহাবিগণ প্রথমেই রসূল (ﷺ) এর প্রতি আকৃষ্ট হতেন কেন? কী তাঁদের এমন অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণস্থলে পরিণত করেছিল?
সাহাবিগণ রসূল (ﷺ) এর প্রতি ফিতরিভাবেই আকৃষ্ট হতেন; কারণ, তিনি তাদের জীবনকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতেন এবং তাদেরকে মানবীয় শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব অর্জনে অনুপ্রাণিত করতেন।
সাহাবিগণ যদি আজ আমাদের মাঝে থাকতেন, তবে হয়তো বলতেন, রসূল (ﷺ) এর জীবদ্দশায় তারা ছিলেন —এটিই তাদের শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব নয়; বরং নবিজি তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে পাশে ছিলেন বলেই তারা এমন আশ্চর্য মহত্ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছিলেন।
[সূত্র : রিভিলেশন: দ্য স্টোরি অব মুহাম্মাদ (ﷺ); ড. মিরাজ মুহিউদ্দিন]
রাদিয়াল্লাহু আনহু ওয়ারাদু আন
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সাহাবিগণ রসূল (ﷺ) এর প্রতি ফিতরিভাবেই আকৃষ্ট হতেন; কারণ, তিনি তাদের জীবনকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতেন এবং তাদেরকে মানবীয় শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব অর্জনে অনুপ্রাণিত করতেন।
সাহাবিগণ যদি আজ আমাদের মাঝে থাকতেন, তবে হয়তো বলতেন, রসূল (ﷺ) এর জীবদ্দশায় তারা ছিলেন —এটিই তাদের শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব নয়; বরং নবিজি তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে পাশে ছিলেন বলেই তারা এমন আশ্চর্য মহত্ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছিলেন।
[সূত্র : রিভিলেশন: দ্য স্টোরি অব মুহাম্মাদ (ﷺ); ড. মিরাজ মুহিউদ্দিন]
রাদিয়াল্লাহু আনহু ওয়ারাদু আন
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
❤16👍1
নিশ্চয় যারা উপদেশ (কুরআন) আসার পরও তা অস্বীকার করে (তাদেরকে অবশ্যই এর পরিণাম ভোগ করতে হবে)। আর এটি নিশ্চয় এক সম্মানিত কিতাব।
—ফুসসিলাত : ৪১
—ফুসসিলাত : ৪১
👍6❤2
কুরআনের একটি আয়াত আছে যেটা আমাকে শেখায়, সবসময় সুযোগ আছে-
— নতুন করে শুরু করার, যতই ব্যর্থ হই না কেন...
— নতুন করে জেগে উঠার, যতই অনিচ্ছা থাকুক না কেন...
— নতুন করে উঠে দাঁড়াবার, যতই ভেঙ্গে পড়ি না কেন...
আয়াতটি হলো:
قُلۡ یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اَسۡرَفُوۡا عَلٰۤی اَنۡفُسِهِمۡ لَا تَقۡنَطُوۡا مِنۡ رَّحۡمَۃِ اللّٰهِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ یَغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡغَفُوۡرُ الرَّحِیۡمُ
'বলে দাও, হে আমার বান্দারা, তোমরা যারা নিজদের ওপর অন্যায় করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। আল্লাহ অবশ্যই সব পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা যুমার, ৩৯: ৫৩)
.
— ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী (রহ.)
সূত্র: লাতায়িফুল মাআরিফ, ৩০২
— নতুন করে শুরু করার, যতই ব্যর্থ হই না কেন...
— নতুন করে জেগে উঠার, যতই অনিচ্ছা থাকুক না কেন...
— নতুন করে উঠে দাঁড়াবার, যতই ভেঙ্গে পড়ি না কেন...
আয়াতটি হলো:
قُلۡ یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اَسۡرَفُوۡا عَلٰۤی اَنۡفُسِهِمۡ لَا تَقۡنَطُوۡا مِنۡ رَّحۡمَۃِ اللّٰهِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ یَغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡغَفُوۡرُ الرَّحِیۡمُ
'বলে দাও, হে আমার বান্দারা, তোমরা যারা নিজদের ওপর অন্যায় করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। আল্লাহ অবশ্যই সব পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা যুমার, ৩৯: ৫৩)
.
— ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী (রহ.)
সূত্র: লাতায়িফুল মাআরিফ, ৩০২
❤9
আব্বাস ইবনু 'আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ
সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসেবে ইসলামকে এবং রসূল হিসেবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সন্তষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে।
-[সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৭]
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ
সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসেবে ইসলামকে এবং রসূল হিসেবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সন্তষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে।
-[সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৭]
❤12
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেয়া সাহাবীদের উপাধি
.
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু
(উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু)
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে কাছের সাহাবী ছিলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি রাসূলের সাথে হিজরত করেন, প্রায় সব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ যখন মিরাজে যান, তখন অনেকেই মনে করে আবু বকর রা . এটা বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু, তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে আল্লাহর রাসূলের মিরাজের ঘটনা বিশ্বাস করেন। এজন্য তিনি উপাধি পান ‘আস-সিদ্দিক’ নামে। আর রাসূলুল্লাহ একবার তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে বিভিন্ন উপাধি দেন, তাঁদের ভালো গুণ তুলে ধরেন। তখন তিনি আবু বকর রা . সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন- ‘আরহামু উম্মাতি বিউম্মাতি ’ তথা ‘উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু’ ।
.
সূত্রঃ জামে তিরমিযী , ৩৭৯০-৯১; সুনান ইবনু মাজাহ, ১৫৪
[লেখা- আরিফুল ইসলাম, বইঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেয়া সাহাবীদের উপাধি]
.
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু
(উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু)
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে কাছের সাহাবী ছিলেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি রাসূলের সাথে হিজরত করেন, প্রায় সব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ যখন মিরাজে যান, তখন অনেকেই মনে করে আবু বকর রা . এটা বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু, তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে আল্লাহর রাসূলের মিরাজের ঘটনা বিশ্বাস করেন। এজন্য তিনি উপাধি পান ‘আস-সিদ্দিক’ নামে। আর রাসূলুল্লাহ একবার তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে বিভিন্ন উপাধি দেন, তাঁদের ভালো গুণ তুলে ধরেন। তখন তিনি আবু বকর রা . সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন- ‘আরহামু উম্মাতি বিউম্মাতি ’ তথা ‘উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু’ ।
.
সূত্রঃ জামে তিরমিযী , ৩৭৯০-৯১; সুনান ইবনু মাজাহ, ১৫৪
[লেখা- আরিফুল ইসলাম, বইঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেয়া সাহাবীদের উপাধি]
❤7
রোমান সম্রাট একজন সাহাবীকে বলেন- তুমি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে আমার অর্ধেক সাম্রাজ্য তোমাকে দিয়ে দেবো!
তিনি কী করেন?
.
সেই সাহাবীর নাম ছিলো আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা (রা.)।
উমর (রা.)-এর খেলাফতের সময় রোমানদের সাথে যুদ্ধে তিনি বন্দী হন। তাঁকে রোমান সম্রাটের সামনে নিয়ে যাওয়া হলো।
সম্রাট বললেন, তুমি খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করো। তোমাকে মুক্ত করে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, এর চেয়ে হাজারবার মৃত্যুবরণ করাও আমার কাছে প্রিয়।
সম্রাট এবার বললেন, ইসলাম ছেড়ে দিলে তোমাকে আমার মেয়ের সাথে বিয়ে দেবো এবং আমার সাম্রাজ্যের অর্ধেক তোমাকে দিয়ে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, তুমি তোমার পুরো সাম্রাজ্য দিলেও এক সেকেন্ডের জন্য মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীন ত্যাগ করবো না।
এরপর সম্রাট তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করলেন। শূলে চড়ানো হলো, তীর ছোড়া হলো, এমনকি তাঁর চোখের সামনে এক মুসলিম বন্দীকে ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করা হলো। কিন্তু কিছুতেই তাঁর ঈমান টললো না।
শেষে তাঁকেও ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। তাঁকে যখন পাতিলের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, তখন তিনি কেঁদে ফেললেন।
সম্রাট ভাবলেন, এবার হয়তো তিনি ভয় পেয়েছেন। কিন্তু আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, আমার শরীরে যতগুলো পশম আছে, ততগুলো প্রাণ যদি থাকতো, তাহলে প্রতিটি প্রাণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এই উত্তপ্ত পাতিলে বিলিয়ে দিতাম।
সম্রাট বুঝলেন, এই মানুষকে ভাঙা সম্ভব নয়।
শেষে তিনি বললেন, আমার কপালে একটি চুমু খেলে তোমাকে মুক্ত করে দেবো এবং তোমার সাথে থাকা সব মুসলিম বন্দীকেও ছেড়ে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) রাজি হলেন। নিজের মুক্তির জন্য নয়, সাথে থাকা সব মুসলিম বন্দীর মুক্তির শর্তে।
তিনি সম্রাটের কপালে চুমু দিলেন। আর সেই একটি চুমুর বিনিময়ে মুক্ত হয়ে গেলেন সব মুসলিম বন্দী।
ঘটনাটি শুনে উমর (রা.) এতোটাই খুশি হলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা (রা.)-এর কপালে নিজেই চুমু দিয়ে বললেন, আমিই প্রথম শুরু করছি।
সাহাবীদের কাছে ইসলামের মূল্য এতো বেশি ছিলো যে, দুনিয়ার কোনো লোভ, ভয় কিংবা ক্ষমতার বিনিময়েও তাঁরা ঈমানের ব্যাপারে একটুও ছাড় দেননি।
[সূত্র: সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২/১৪, শুআবুল ঈমান: ৩/১৭৯]
তিনি কী করেন?
.
সেই সাহাবীর নাম ছিলো আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা (রা.)।
উমর (রা.)-এর খেলাফতের সময় রোমানদের সাথে যুদ্ধে তিনি বন্দী হন। তাঁকে রোমান সম্রাটের সামনে নিয়ে যাওয়া হলো।
সম্রাট বললেন, তুমি খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করো। তোমাকে মুক্ত করে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, এর চেয়ে হাজারবার মৃত্যুবরণ করাও আমার কাছে প্রিয়।
সম্রাট এবার বললেন, ইসলাম ছেড়ে দিলে তোমাকে আমার মেয়ের সাথে বিয়ে দেবো এবং আমার সাম্রাজ্যের অর্ধেক তোমাকে দিয়ে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, তুমি তোমার পুরো সাম্রাজ্য দিলেও এক সেকেন্ডের জন্য মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীন ত্যাগ করবো না।
এরপর সম্রাট তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করলেন। শূলে চড়ানো হলো, তীর ছোড়া হলো, এমনকি তাঁর চোখের সামনে এক মুসলিম বন্দীকে ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করা হলো। কিন্তু কিছুতেই তাঁর ঈমান টললো না।
শেষে তাঁকেও ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। তাঁকে যখন পাতিলের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, তখন তিনি কেঁদে ফেললেন।
সম্রাট ভাবলেন, এবার হয়তো তিনি ভয় পেয়েছেন। কিন্তু আব্দুল্লাহ (রা.) বললেন, আমার শরীরে যতগুলো পশম আছে, ততগুলো প্রাণ যদি থাকতো, তাহলে প্রতিটি প্রাণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এই উত্তপ্ত পাতিলে বিলিয়ে দিতাম।
সম্রাট বুঝলেন, এই মানুষকে ভাঙা সম্ভব নয়।
শেষে তিনি বললেন, আমার কপালে একটি চুমু খেলে তোমাকে মুক্ত করে দেবো এবং তোমার সাথে থাকা সব মুসলিম বন্দীকেও ছেড়ে দেবো।
আব্দুল্লাহ (রা.) রাজি হলেন। নিজের মুক্তির জন্য নয়, সাথে থাকা সব মুসলিম বন্দীর মুক্তির শর্তে।
তিনি সম্রাটের কপালে চুমু দিলেন। আর সেই একটি চুমুর বিনিময়ে মুক্ত হয়ে গেলেন সব মুসলিম বন্দী।
ঘটনাটি শুনে উমর (রা.) এতোটাই খুশি হলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাফা (রা.)-এর কপালে নিজেই চুমু দিয়ে বললেন, আমিই প্রথম শুরু করছি।
সাহাবীদের কাছে ইসলামের মূল্য এতো বেশি ছিলো যে, দুনিয়ার কোনো লোভ, ভয় কিংবা ক্ষমতার বিনিময়েও তাঁরা ঈমানের ব্যাপারে একটুও ছাড় দেননি।
[সূত্র: সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২/১৪, শুআবুল ঈমান: ৩/১৭৯]
❤23
'সুওয়াইবা'
একজন বরকতময় নারী। যিনি নবীজি (সা) কে দুগ্ধ পান করান। রাসূলুল্লাহ (সা) ছাড়াও আরও তিনজন বিশিষ্ট সাহাবীকে দুগ্ধ পান করান।
তারা হলেন-
(১) নবীজির চাচা - হামজা (রা)
(২) নবীজির চাচাত চাই - আবু সুফিয়ান ইবনে হারিস (রা)
(৩) বিশিষ্ট সাহাবী আবু সালামা (রা)
একজন বরকতময় নারী। যিনি নবীজি (সা) কে দুগ্ধ পান করান। রাসূলুল্লাহ (সা) ছাড়াও আরও তিনজন বিশিষ্ট সাহাবীকে দুগ্ধ পান করান।
তারা হলেন-
(১) নবীজির চাচা - হামজা (রা)
(২) নবীজির চাচাত চাই - আবু সুফিয়ান ইবনে হারিস (রা)
(৩) বিশিষ্ট সাহাবী আবু সালামা (রা)
❤11👍1
'বারাকাহ'
একমাত্র নারী যিনি নবীজি (সা) এর জন্ম থেকে ওফাত সময় পর্যন্ত ৬৩ বছর নবীজির সাথে ছিলেন। দাসী হিসেবে মুক্তি এবং পরবর্তীতে বিবাহের পরে 'উম্মে আইমান' নামে পরিচিতি পান।
একমাত্র নারী যিনি নবীজি (সা) এর জন্ম থেকে ওফাত সময় পর্যন্ত ৬৩ বছর নবীজির সাথে ছিলেন। দাসী হিসেবে মুক্তি এবং পরবর্তীতে বিবাহের পরে 'উম্মে আইমান' নামে পরিচিতি পান।
❤16👍1