ILMAN NAFIYA
✔
10.1K subscribers
1.97K photos
455 videos
390 files
256 links
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছিয়ে দাও।" [বুখারি ৩৪৬১]
আল্লাহ তা'আলা বলেন - তার কথার চেয়ে উত্তম কার কথা হতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করে। (সুরা হা মিম সাজদাহ : ৩৩)
Download Telegram
আকাশের দিকে তোমার বারবার তাকানোকে আমি অবশ্যই লক্ষ্য করি...
.
আল-বাকারা : ১৪৪
❤15
হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের ওপর বাড়াবাড়ি করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না!
.
আয-যুমার : ৫৩
❤16
নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে আছে সুখ!
.
আল-ইনশিরাহ : ৬
❤13
"ইবলিশ যদি কখনো ওয়াসওয়াসা দেয়, 'তুমি তো বহুবার দুআ করেছ। কিন্তু কয়বার কবুল হতে দেখেছ?', তখন তাকে বলবে 'দুআ আমার কাছে ইবাদত। দুআর মাধ্যমে আমি রবেরই বন্দেগী করি।'"
.
— ইবনুল জাওযী (রহ.)
সূত্র: সাইদুল খতির, পৃঃ ২২২
❤20
“আল্লাহর কালামের দিকে তাকানো ছাড়া একটি দিন বা রাত আমার জীবন থেকে চলে যাবে, এমনটা আমার মোটেও পছন্দ না।”
.
— উসমান ইবনে আফফান (রাদি.)
কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমাদ: ৬৭৫
❤14👍1
রাসূলুল্লাহ সা এর দেয়া
সাহাবীদের উপাধি
.
আবু হুরাইরা (রা)
[ ইয়া আবা হির ]
.
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘনিষ্ঠ সাহাবীদের একজন। তিনি রাসূলুল্লাহ সা-এর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন এবং তাঁর কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা তাঁকে স্নেহ করতেন এবং কখনো কখনো ভালোবাসা প্রকাশ করে তাঁকে ‘ইয়া আবা হির’ বলে ডাকতেন। ‘আবু হির’ অর্থাৎ ‘বিড়ালের পিতা’। ছোট বিড়ালছানার প্রতি তাঁর ভালোবাসার কারণেই তাঁর প্রসিদ্ধ নাম ‘আবু হুরাইরা ’,অর্থাৎ ‘ছোট বিড়ালের পিতা’ হয়ে যায়। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় স্নেহভরে বলতেন, ‘ইয়া আবা হির’ তথা ‘হে আবু হির!’ এটি কোনো আনুষ্ঠানিক উপাধি নয়, বরং রাসূলুল্লাহ সা-এর পক্ষ থেকে আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি একটি স্নেহপূর্ণ সম্বোধন ।
.
সহীহ বুখারি : ২০৪৭
[ লেখা : আরিফুল ইসলাম, তরুণ লেখক ]
❤14
"রবের অবাধ্যতার মাঝে যে আনন্দ খুঁজে পায়, জাহান্নামও তাকে একদিন নিজের আনন্দের জন্য খুঁজে নিবে।"
—আরিফ আজাদ
😢19
📎 জুমু'আহ রিমাইন্ডার
❤12
তোমার রব তোমাকে ভূলে যাননি এবং অসন্তুষ্টও হননি!
.
আদ-দুহা : ৩
❤15👍1
শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দিবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে!
.
আদ-দুহা : ৫
❤22👍3
আল আসমাউল হুসনা
.
১।
আর-রহমান
[ সকলের প্রতি দয়াবান ]
.
সে সত্তা, যার রহমত ও দয়া অত্যন্ত প্রশস্ত, যা দিয়ে সকলেই উপকৃত হয়।
.
#ilmannafiya
❤24👍1😇1
আল আসমাউল হুসনা
.
২।
আর-রহীম
[ অতিশয় দয়ালু ]
.
সেই সত্তা, যার রহমত অনেক বেশি। যার প্রতি তাঁর রহমত বর্ষিত হবে, পরিপূর্ণরূপে হবে।
#ilmannafiya
❤18👍2😇1
আল আসমাউল হুসনা
.
৩।
আল-মালিক
[ সর্বাধিকারী ]
.
এই নামটি দ্বারা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রকাশিত হয়। আল্লাহ হলেন সেই সত্তা, যিনি তাঁর সমস্ত সৃষ্টির উপর পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন, যিনি প্রকৃত অধিপতি। তিনি স্বীয় বান্দাদেরকে আদেশ-নিষেধ প্রদান করেন।
#ilmannafiya
❤11👍2😇1
আল আসমাউল হুসনা
.
৪।
আল-কুদ্দুস
[ অতি পবিত্র ]
.
‘আল-কুদ্দুস’ হলেন সেই সত্তা, যিনি এমন সব বিষয় থেকে অতিমাত্রায় পবিত্র ও মুক্ত, যা মন্দ বলে বিবেচিত হয়। তিনি সব দিক দিয়ে মহান এবং ত্রুটিমুক্ত।
#ilmannafiya
❤11👍2🎉1😇1
আল আসমাউল হুসনা
.
৫।
আস-সালাম
[ শান্তি ও নিরাপত্তা দানকারী ]
.
‘আসসালাম’ সেই সত্তা, যিনি সৃষ্টিকুলকে শান্তি ও নিরাপত্তা দান করেন। ভিন্ন অর্থে, ‘আসসালাম’ বলে সে সত্তাকে বোঝানো হয়, যিনি সব রকম ত্রুটি ও অপূর্ণতা থেকে মুক্ত ও পবিত্র। আর এ শব্দটি দিয়ে এ পবিত্রতার বিষয়টি অত্যন্ত জোড়ালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
#ilmannafiya
❤12👍1🎉1😇1
সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতার একটি বর্ণনামূলক প্রশ্নের উত্তর লিখেছেন, আফিফা তাবাসসুম, তিনি ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। উত্তরটি আমাদেরকে স্পর্শ করেছে।

উত্তর নং ২➤ সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন এটাই যে, আমি নবিজি সা: কে দেখলে কি করব।!

তাঁকে কিছু বলা ওতটাও সহজ হবে না। আমার গলা শুকিয়ে যাবে, বুক কাঁপতে থাকবে, মুখের কোনো ভঙ্গিমা বদলানো ছাড়াই এ দুই নয়নে অঝরে অশ্রুপাত হতে থাকবে, পেয়ারা নবিকে একপলক দেখাই যেন এজীবনের সার্থকতা।

বেশ কিছুক্ষন তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবো। চক্ষুদয় যেন পলকই ফেলতে চাইবে না। তারপরেও কিছু একটা বলার চেষ্টা করব থর থর কাপো কাপো গলায়।

নাহ, এতো চেষ্টা করেও লাভ হলো না।আমি তো তার সামনে দাড়ানোরই যোগ্যতা রাখি না, কথা বলার সাহস কোথা থেকে পাব...!
"::ইয়া রাসুলুল্লাহ,,,, 😭। ইয়া রাসুলুল্লাহ,,"

এই দুইটা শব্দ বলতেই আমার দমটা বেরিয়ে যাবে। তারপর আল্লাহ আল্লাহ করতে করতে কিছু একটা বলার চেষ্টা করব। বলবো :
"আপনাকে যে বড্ড ভালোবাসি রাসুলুল্লাহ সাঃ। এ ভালোবাসা কখনোই বলে বুঝানোর মত নয়। কিন্তু এই পাপিষ্ঠ, গুনাহে জর্জরিত আত্মা কখনোই আপনার সামনে দাড়ানো যোগ্যতা রাখেনা। আমাকে ক্ষমা করে দিন। এ দুনিয়ায় তো আমি আপনার সঙ্গে থাকতে পারলাম না। কিন্তু আখিরাতে আমি আপনারই সাথে এবং আল্লাহর অনেক নিকটে থাকতে চাই। ইয়া রাসুলুল্লাহ সাঃ, আমার জন্য একটু দুয়া করে দিন, একটু মাথায় হাত বুলিয়ে দিন। আপনাকে দেখে হৃদয়ে যে তুমুল ঝড় শুরু হয়েছে তা যে কোনোভাবেই থামাতে পারছি না রাসুলুল্লাহ। আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন ইয়া রাসুলুল্লাহ, যেন আমি ও আমার পরিবার একত্রে জান্নাতুল ফেরদৌসে আল্লাহ তায়ালার অনেক নিকটে ও আপনার পাশাপাশি থাকতে পারি🥺।

এইযে এতক্ষণ বক বক করলাম,, কিন্তু আসলে আমি তার সামনে এতক্ষণ দাড়িয়ে এতোগুলো কথা বলার সাহস,ক্ষমতা, সক্ষমতা,স্পর্ধা কোনো কিছুই রাখি না। আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন আসলেই রাসুলুল্লাহ সাঃ কে সামনে পেলে আমি কি করতাম, কেমন হত সেই মুহুর্তটা...!
.
আতীক উল্লাহ হুজুরের টাইমলাইন থেকে...
❤10
নবীজি (সা) এর ৩ জন পুত্র সন্তানের একজন ছিলেন আবদুল্লাহ (রা)। তাঁকে তাইয়্যিব ও তাহির নামেও উল্লেখ করা হয়। তিনিও অন্যান্য পুত্র সন্তানদের ন্যয় শৈশবেই ইন্তেকাল করেন।
.
এক চুমুক সীরাহ
😢4
হুমাইরা
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয়তমা স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা.)-এর ডাকনাম বা উপাধি ছিল। রাসূলুল্লাহ ﷺ আম্মাজান আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে ভালোবেসে “হুমায়রা” বলে ডাকতেন।

‘হুমায়রা’ শব্দটি আরবি ভাষায় স্নেহসূচক সম্বোধন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আয়িশা (রা.)-এর প্রতি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর গভীর ভালোবাসা ও স্নেহের প্রকাশ হিসেবে এই নামে তাঁকে সম্বোধন করার বর্ণনা পাওয়া যায়।
.
[ রেফারেন্স: আস-সুনানুল কুবরা, ইমাম নাসায়ী: ৮৮৭০, ৮৮৯৪; মুসনাদে আহমাদ: ২৪৮৫৫; সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৪৭৪; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ইমাম যাহাবী: ২/১৫৩–১৫৪; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ইবনে কাসীর: ৭/৯৪ ]
.
লেখা: আরিফুল ইসলাম, তরুন লেখক, গবেষক
❤13
Audio
সূরা মূলক
শায়খ আতীক উল্লাহ্‌ (হাফি.)

প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে সূরা মূলক তিলাওয়াত করতে ভুলে যাবেন না ইন শা আল্লাহ!
❤6