এবার একই সাথে Science Bee-বিজ্ঞান গ্রুপ, Science Bee-বিজ্ঞান ও গবেষণা গ্রুপ এবং এই পোস্টে বিজ্ঞান কই? গ্রুপের জুন-জুলাই মাসের সেরা মডারেটরদের নাম ঘোষণা করছি আমরা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় ৩টি বিজ্ঞান গ্রুপকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই মানুষগুলো আসলেই এক-একটা জেম।
বরাবরের মত এবারও Science Bee-বিজ্ঞান গ্রুপের সেরা মডারেটর নির্বাচিত হয়েছেন Khairul Alom Fardush. টানা ৩ বার সেরা মডারেটর হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলো সে।
এর পাশাপাশি Science Bee-বিজ্ঞান ও গবেষণা গ্রুপে সেরা মডারেটর নির্বাচিত হয়েছে Abdullah Al Masud, Arin Das এবং Sadia Afrin.
আর সবার শেষে এই পোস্টে বিজ্ঞান কই? গ্রুপের সেরা মডারেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে Jannatul Nayeem Nabila এবং MD. Amir Hamza Noman.
সেরা মডারেটর বাদেও গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকেই জানাতে চাই আমরা অভিনন্দন৷ তাদের প্রত্যক্ষ কাজের ফলেই বিজ্ঞান শিক্ষা হয়ে উঠছে আরেকটু মজাদার।
বরাবরের মত এবারও Science Bee-বিজ্ঞান গ্রুপের সেরা মডারেটর নির্বাচিত হয়েছেন Khairul Alom Fardush. টানা ৩ বার সেরা মডারেটর হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলো সে।
এর পাশাপাশি Science Bee-বিজ্ঞান ও গবেষণা গ্রুপে সেরা মডারেটর নির্বাচিত হয়েছে Abdullah Al Masud, Arin Das এবং Sadia Afrin.
আর সবার শেষে এই পোস্টে বিজ্ঞান কই? গ্রুপের সেরা মডারেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে Jannatul Nayeem Nabila এবং MD. Amir Hamza Noman.
সেরা মডারেটর বাদেও গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকেই জানাতে চাই আমরা অভিনন্দন৷ তাদের প্রত্যক্ষ কাজের ফলেই বিজ্ঞান শিক্ষা হয়ে উঠছে আরেকটু মজাদার।
💯8❤3
Cutting-edge গবেষণা হচ্ছে যেসব গবেষণা যেগুলো সবচেয়ে সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির ভিত্তিতে নতুন কিছু উদ্ভাবন করে বা বড় কোনো সমস্যার অভিনব সমাধান দেয়।
এই প্রকল্পের আওতায় তিনি পরবর্তী প্রজন্মের উন্নত অপটিক্যাল ফাইবার ও সেন্সর নিয়ে গবেষণা করবেন।NASA Research Initiation Award (RIA) মূলত নতুন বা কম প্রতিনিধিত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের উন্নত ও টেকসই গবেষণার সুযোগ দিতে এবং স্নাতকপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের cutting-edge গবেষণায় যুক্ত করতে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে নতুন গবেষকরা তাদের নিজস্ব গবেষণা প্রোগ্রাম শুরু করতে পারেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যায়ের গবেষণার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। NASA প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে, এবং এটি বহু দেশের গবেষকদের কাছে মর্যাদাপূর্ণ একটি সহায়তা হিসেবে বিবেচিত।
ড. সেলিম হাবিব রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে রুয়েটেই প্রথমে প্রভাষক এবং পরে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ নিয়ে বিস্তারিতঃ https://www.facebook.com/share/1EH5jkwdJp/
এই প্রকল্পের আওতায় তিনি পরবর্তী প্রজন্মের উন্নত অপটিক্যাল ফাইবার ও সেন্সর নিয়ে গবেষণা করবেন।NASA Research Initiation Award (RIA) মূলত নতুন বা কম প্রতিনিধিত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের উন্নত ও টেকসই গবেষণার সুযোগ দিতে এবং স্নাতকপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের cutting-edge গবেষণায় যুক্ত করতে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে নতুন গবেষকরা তাদের নিজস্ব গবেষণা প্রোগ্রাম শুরু করতে পারেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যায়ের গবেষণার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। NASA প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে, এবং এটি বহু দেশের গবেষকদের কাছে মর্যাদাপূর্ণ একটি সহায়তা হিসেবে বিবেচিত।
ড. সেলিম হাবিব রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে রুয়েটেই প্রথমে প্রভাষক এবং পরে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ নিয়ে বিস্তারিতঃ https://www.facebook.com/share/1EH5jkwdJp/
🔥12❤6🆒1
জাপানে "Johatsu" শব্দটি এমন মানুষদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যারা মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা কর্মক্ষেত্রের চাপে চুপচাপ নিজেদের জীবন থেকে অদৃশ্য হয়ে যান। তারা হঠাৎ করে তাদের আগের জীবন ছেড়ে দিয়ে গোপনে নতুন পরিচয়ে অন্য কোথাও জীবন শুরু করেন। এই অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার কাজে সহায়তা করার জন্য সেখানে বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যাদের বলা হয় "নাইট মুভার্স"। এরা নিঃশব্দে তাদের গ্রাহকদের অতীত মুছে দিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে সাহায্য করে।
❤12🤔2
চা খেতে না পারলেও কালকের ইমেইল রাইটিং সেশনের জন্য রেজিষ্ট্রেশন কিন্তু মাস্ট করা চাই! 😏
এখনই রেজিষ্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
এখনই রেজিষ্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
🍌3
বলুন তো? 🤔
একাডেমিক হোক বা প্রফেশনাল গুরুত্বপূর্ণ মেইল আসতে পারে যে কোনো সময়৷ সাথে রিপ্লাই কী ভাবে দিব সেটা জানাও অনেক জরুরী৷ তাই বিস্তারিত সব নিয়মকানুন জানতে আমাদের ইমেইল সেশনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
একাডেমিক হোক বা প্রফেশনাল গুরুত্বপূর্ণ মেইল আসতে পারে যে কোনো সময়৷ সাথে রিপ্লাই কী ভাবে দিব সেটা জানাও অনেক জরুরী৷ তাই বিস্তারিত সব নিয়মকানুন জানতে আমাদের ইমেইল সেশনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন:
https://forms.gle/E4A9nncRw2ppTXpT8
❤1🕊1💯1
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ এবার হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের জ্বালানি ও জীবনধারণের উৎস। সম্প্রতি, চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং এর একদল গবেষক এমন একটি সৌরচালিত ফটোথার্মাল রিঅ্যাক্টর তৈরি করেছেন, যা চাঁদের মাটি অর্থাৎ রেগোলিথ ব্যবহার করে পানি, অক্সিজেন এবং জ্বালানির উপাদান উৎপন্ন করতে সক্ষম। চীনের চ্যাং’ই–৫ মিশনের মাধ্যমে সংগৃহীত মাটি ব্যবহার করে গবেষকরা দেখিয়েছেন, সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে যখন রেগোলিথকে প্রায় ১২০০ কেলভিন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়, তখন প্রতি গ্রামে ৫০–৭৬ মিলিগ্রাম পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। অর্থাৎ প্রতি টন রেগোলিথ থেকে প্রায় ৫০ কেজি পানি পাওয়া সম্ভব যা দৈনিক ৫০ জন মহাকাশচারীর প্রয়োজন মেটাতে পারে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কোনো অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ বা বিক্রিয়ার জন্য ক্যাটালিস্ট পৃথিবী থেকে বহন করার প্রয়োজন হয় না, ফলে মিশনের খরচ ও ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
তবে বাস্তবিক চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশ অত্যন্ত প্রতিকূল। তাপমাত্রার আচমকা পরিবর্তন , ধুলাবালি, তেজস্ক্রিয়তা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণের মত প্রভাবক প্রযুক্তিটির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে বাস্তবিক চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশ অত্যন্ত প্রতিকূল। তাপমাত্রার আচমকা পরিবর্তন , ধুলাবালি, তেজস্ক্রিয়তা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণের মত প্রভাবক প্রযুক্তিটির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
🤩2
আজ ডোরেমনের জন্মদিন! মাঙ্গা অনুযায়ী আজকের এই দিনে ২১১২ সালে ডোরেমনের জন্ম হয় জাপানের কাওয়াসাকি, কানাগাওয়া শহরে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ভবিষ্যতের জন্মদিন পালন করা হচ্ছে অতীতে! 😅
যাই হোক ছোটবেলায় ডোরেমন দেখেনি এমন মানুষ হয়তো খুব কমই আছে। ডোরেমন, নোবিতা এবং তার বন্ধুদের প্রত্যেকদিনে খুনসুটি এবং বিভিন্ন অভিযানের সাথেই যেন কেটেছে আমাদের ছোট বেলা। ডোরেমনের এনি হোয়ার ডোর কিংবা ব্যাম্বু কপ্টার ব্যবহার করতে চায়নি এমন মানুষ হয়তো কমই আছে। কল্পনার জগত হলেও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাওয়া এবং বাস্তবে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমাদের সবার মাঝে একটা সময় ছিলই৷ উদ্ভাবন, প্রযুক্তি কিংবা কল্পনার জগতের সাথে প্রথম ভালোবাসা তৈরির কারিগর কিন্তু এই ডোরেমনই!
যাই হোক ছোটবেলায় ডোরেমন দেখেনি এমন মানুষ হয়তো খুব কমই আছে। ডোরেমন, নোবিতা এবং তার বন্ধুদের প্রত্যেকদিনে খুনসুটি এবং বিভিন্ন অভিযানের সাথেই যেন কেটেছে আমাদের ছোট বেলা। ডোরেমনের এনি হোয়ার ডোর কিংবা ব্যাম্বু কপ্টার ব্যবহার করতে চায়নি এমন মানুষ হয়তো কমই আছে। কল্পনার জগত হলেও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাওয়া এবং বাস্তবে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমাদের সবার মাঝে একটা সময় ছিলই৷ উদ্ভাবন, প্রযুক্তি কিংবা কল্পনার জগতের সাথে প্রথম ভালোবাসা তৈরির কারিগর কিন্তু এই ডোরেমনই!
❤39🥰3👾2
পৃথিবীর বড় কোম্পানীগুলোর মধ্যে একটি মাইক্রোসফট। কোম্পানিটি ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করেছে। পরিমাণটা বেশি হয়ে থাকলেও তাদের এই কার্বন ফুটপ্রিন্ট মুছতে সম্প্রতি তারা 'ভল্টেড ডিপ' নামক একটি স্টার্টআপের সাথে চুক্তি করেছে। মূলত মানুষের এবং বিভিন্ন প্রাণীর মল ইত্যাদি একসাথে মিক্স করে সেটা মাটি থেকে ৫,০০০ ফুট গভীরে চাপা দিয়ে কার্বন রিমোভাল ক্রেডিট আর্ন করবে তারা। প্রতি ১ টন কার্বন চাপা দেয়ার জন্য তারা ১টা করে কার্বন রিমোভাল ক্রেডিট পাবে। যেটা তাদের কর্পোরেট হিসেব খাতায় কার্বন নিউট্রাল কোম্পানি হতে সাহায্য করবে।
ভল্টেড ডিপের এ পদ্ধতিটি একটু ফিউচারিস্টিক মনে হলেও আমেরিকার লস এঞ্জেলেস, ডার্বি, কানাস শহরগুলো ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। তাছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতি প্রায় দশক ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভল্টেড ডিপ শুধু পুরোনো পদ্ধতিকে রিপার্পোস করে ব্যবহার করবে, তারা মল জাতীয় সব বর্জ্যকে মিক্স করে সেটাকে ভূগর্ভের গভীরে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখবে যাতে কার্বন নিঃসরিত হতে না পারে।
ভল্টেড ডিপের এ পদ্ধতিটি একটু ফিউচারিস্টিক মনে হলেও আমেরিকার লস এঞ্জেলেস, ডার্বি, কানাস শহরগুলো ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। তাছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতি প্রায় দশক ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভল্টেড ডিপ শুধু পুরোনো পদ্ধতিকে রিপার্পোস করে ব্যবহার করবে, তারা মল জাতীয় সব বর্জ্যকে মিক্স করে সেটাকে ভূগর্ভের গভীরে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখবে যাতে কার্বন নিঃসরিত হতে না পারে।
💯7❤1
আজকের আকাশের চাঁদটা দেখেছেন? ছবি দেন তো দেখি!
২০২৩ সালের অক্টোবরের আংশিক চন্দ্রগ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়নি। আজ সারাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। রাত ৯:২৮ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। পূর্ণতা বা ব্লাড মুনের স্থায়িত্ব হবে প্রায় ৮২ মিনিট।
২০২৩ সালের অক্টোবরের আংশিক চন্দ্রগ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়নি। আজ সারাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। রাত ৯:২৮ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। পূর্ণতা বা ব্লাড মুনের স্থায়িত্ব হবে প্রায় ৮২ মিনিট।
❤19