প্রথমবারের মতো আমেরিকার মাটিতে Science Bee নিয়ে কথা বললাম। পুরো রিসার্চ পোস্টারের মতো একটা পোস্টার বানানোর চেষ্টা করেছি। Introduction এ একদম তথ্যসূত্র সহ বাংলাদেশের বিজ্ঞানশিক্ষার বেহাল দশার চিত্র তুলে ধরেছিলাম, Interesting.
ধন্যবাদ সাইন্স বি টিম মেম্বার Diderul Islam, Jihadul Amin & Annoy কে। স্বল্প সময়ে অসাধারণ সাহায্য করার জন্য, টিমের হাত থাকলে হাজার মাইল দুরেও কার্যসাধন হয়ে যায়।
ঐখানে আরও কয়েকজন তাদের নিজেদের উদ্যোগ, আইডিয়ার উপর পোস্টার প্রেজেন্ট করেছিল। গবেষণায় সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দারুণ বিজনেস আইডিয়া পেয়েছি, চুরি করবো কিনা ভাবতেছি।😛
-এস এম মবিন সিকদার
প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, সাইন্স বি
ধন্যবাদ সাইন্স বি টিম মেম্বার Diderul Islam, Jihadul Amin & Annoy কে। স্বল্প সময়ে অসাধারণ সাহায্য করার জন্য, টিমের হাত থাকলে হাজার মাইল দুরেও কার্যসাধন হয়ে যায়।
ঐখানে আরও কয়েকজন তাদের নিজেদের উদ্যোগ, আইডিয়ার উপর পোস্টার প্রেজেন্ট করেছিল। গবেষণায় সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দারুণ বিজনেস আইডিয়া পেয়েছি, চুরি করবো কিনা ভাবতেছি।😛
-এস এম মবিন সিকদার
প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, সাইন্স বি
🤩23🙏6
সমুদ্র জুড়ে ঘুরে বেড়ানো এই বিশাল স্তন্যপায়ী প্রাণী তিমি ভূমিকা রাখে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা ছাড়াও স্থলভাগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে তিমির মূত্রও এক্ষেত্রে কাজ করে পরিবেশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে।
সম্প্রতি 'ন্যাচার কমিউনিকেশন' জার্নালে এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ কিছু প্রজাতির তিমি প্রতিদিন প্রায় ৯৫০ লিটার মূত্র ত্যাগ করে। এই মূত্র থেকে পাওয়া নাইট্রোজেন ফাইটোপ্লাংকটনের বৃদ্ধি এবং সালোকসংশ্লেষণের হার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সালোকসংশ্লেষণের হারের এই পরিমাণ বৃদ্ধি বায়ুমণ্ডল থেকে প্রায় ১৮,১৮০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণ করে। তিমিরা সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুষ্টি-স্বল্প এলাকায় তাদের মূত্রে থাকা নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি স্থানান্তরিত হয়।
বর্তমানে মানুষের বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে সমুদ্র ও সামুদ্রিক প্রাণীরা মুখোমুখি হচ্ছে বিভিন্ন সমস্যার। আশংকাজনক ভাবে কমছে সামুদ্রিক প্রাণীর সংখ্যা। কমছে তিমিরও সংখ্যা। নতুন এই গবেষণা থেকে বুঝা যায় পরিবেশের জন্য সমুদ্র ও তিমির রক্ষণাবেক্ষণ কতটা জরুরি।
Pritilata Pratissik
Team Science Bee
সম্প্রতি 'ন্যাচার কমিউনিকেশন' জার্নালে এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ কিছু প্রজাতির তিমি প্রতিদিন প্রায় ৯৫০ লিটার মূত্র ত্যাগ করে। এই মূত্র থেকে পাওয়া নাইট্রোজেন ফাইটোপ্লাংকটনের বৃদ্ধি এবং সালোকসংশ্লেষণের হার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সালোকসংশ্লেষণের হারের এই পরিমাণ বৃদ্ধি বায়ুমণ্ডল থেকে প্রায় ১৮,১৮০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণ করে। তিমিরা সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুষ্টি-স্বল্প এলাকায় তাদের মূত্রে থাকা নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি স্থানান্তরিত হয়।
বর্তমানে মানুষের বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে সমুদ্র ও সামুদ্রিক প্রাণীরা মুখোমুখি হচ্ছে বিভিন্ন সমস্যার। আশংকাজনক ভাবে কমছে সামুদ্রিক প্রাণীর সংখ্যা। কমছে তিমিরও সংখ্যা। নতুন এই গবেষণা থেকে বুঝা যায় পরিবেশের জন্য সমুদ্র ও তিমির রক্ষণাবেক্ষণ কতটা জরুরি।
Pritilata Pratissik
Team Science Bee
🐳10❤3🫡1
আমাদের কনটেন্ট রিসার্চ টিমের প্রত্যেক ব্যাচের মধ্যেই আয়োজিত হয় ইন্ট্রা-টিম কনটেন্ট রাইটিং কম্পিটিশন৷ এবারের কম্পিটিশনটি আয়োজিত হয়েছিল আমাদের চতুর্থ ব্যাচের দুই টিম "Team Cognitores" এবং "Team Nova Spark" এর মধ্যে৷ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এ আপনাদের রিয়াক্ট, কমেন্ট,শেয়ার এবং বিচারকদের ভোটের ভিত্তিতে এবারের চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছে "Team Cognitores". তাদেরকে অসংখ্য অভিনন্দন।
টিমের পাশাপাশি দুই টিমকে নেতৃত্ব প্রদানকারী টিমমেটদেরকেও অসংখ্য অভিনন্দন! Nova Spark এর নেতৃত্বে ছিল Misbahul Islam Sayed (lead) এবং Nikhar Sultana Nijhum (co-lead) এবং Team Cognitores এর নেতৃত্বে ছিল Zakiya Afroj Tamanna (lead) এবং Mahdin Al Abrar (co-lead).
ইন্ট্রা-টিম কনটেস্ট এর পাশাপাশি আমরা অভিনন্দন জানাতে চাই জুন-জুলাই মাসের আমাদের সেরা লেখকদেরকেও৷ দুই টিম থেকে নির্বাচিত হওয়া ৬ জনকে অসংখ্য অভিনন্দন! ❤️
টিমের পাশাপাশি দুই টিমকে নেতৃত্ব প্রদানকারী টিমমেটদেরকেও অসংখ্য অভিনন্দন! Nova Spark এর নেতৃত্বে ছিল Misbahul Islam Sayed (lead) এবং Nikhar Sultana Nijhum (co-lead) এবং Team Cognitores এর নেতৃত্বে ছিল Zakiya Afroj Tamanna (lead) এবং Mahdin Al Abrar (co-lead).
ইন্ট্রা-টিম কনটেস্ট এর পাশাপাশি আমরা অভিনন্দন জানাতে চাই জুন-জুলাই মাসের আমাদের সেরা লেখকদেরকেও৷ দুই টিম থেকে নির্বাচিত হওয়া ৬ জনকে অসংখ্য অভিনন্দন! ❤️
❤7⚡1
আজকে আমাদের অন্যতম পরিশ্রমী টিম মেম্বার রাজের জন্মদিন। যে কয়টি মানুষ পিছন থেকে সায়েন্স বী'কে আগলে রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম সে।
বর্তমানে সায়েন্স বী'র কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর হিসেবে "এই পোস্টে বিজ্ঞান কই" গ্রুপ এবং পেইজের মূল দায়িত্বে আছে সে। টিম মেম্বারদের সামলানো, নতুন ক্রিয়েটিভ মিম তৈরি, বিজ্ঞানে সর্বশেষ খবর সবার আগে গ্রুপে পাবলিশ করা সহ বিভিন্ন কাজে অগ্রনী ভূমিকা তার। এর পাশাপাশি দক্ষ ফ্যাক্টচেকারদের একজন রাজ৷ সায়েন্স বী'তে ফ্যাক্টচেকিং- এর গুরু দায়িত্ব তার হাতেই৷ আমরা যাতে ভুল তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকি সেটা নিশ্চিতে সে যেমন কাজ করে, একই ভাবে বিভিন্ন ভুল তথ্য বা গুজব খন্ডনেও সবার আগে ভূমিকা পালন করে সে।
আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে চাই রাজকে। শুভ জন্মদিন।
- Team Science Bee
বর্তমানে সায়েন্স বী'র কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর হিসেবে "এই পোস্টে বিজ্ঞান কই" গ্রুপ এবং পেইজের মূল দায়িত্বে আছে সে। টিম মেম্বারদের সামলানো, নতুন ক্রিয়েটিভ মিম তৈরি, বিজ্ঞানে সর্বশেষ খবর সবার আগে গ্রুপে পাবলিশ করা সহ বিভিন্ন কাজে অগ্রনী ভূমিকা তার। এর পাশাপাশি দক্ষ ফ্যাক্টচেকারদের একজন রাজ৷ সায়েন্স বী'তে ফ্যাক্টচেকিং- এর গুরু দায়িত্ব তার হাতেই৷ আমরা যাতে ভুল তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকি সেটা নিশ্চিতে সে যেমন কাজ করে, একই ভাবে বিভিন্ন ভুল তথ্য বা গুজব খন্ডনেও সবার আগে ভূমিকা পালন করে সে।
আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে চাই রাজকে। শুভ জন্মদিন।
- Team Science Bee
❤17
জেসন যখন ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে তখন তার বয়স মাত্র ১৬৷ তাদের ক্লাসে সে সময় শিক্ষার্থী ছিল ২৫০ জন, আর মেয়ে ছিল মাত্র ৩ জন। ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পর তার বয়স যখন ১৭, তখন তার ভালো লাগে একই ক্লাসের ১৯ বছর বয়সী লরি হুয়াংকে৷ এতগুলোর ছেলের মাঝে কীভাবে ইম্প্রেস করবেন লরিকে ভাবতে ভাবতে তার মাথায় আসে মেয়েটি নিশ্চয় তাকে স্মার্ট মনে করে। কারণ ক্লাসে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সী। তাই আর বেশি চিন্তা ভাবনা না করে সরাসরি মেয়েটিকে যেয়ে বলেন, "তুমি কী আমার হোমওয়ার্ক দেখতে চাও?" এই কথা বলার পর তিনি লরিকে প্রমেজ করেন যদি প্রত্যেক রবিবার লরি জেনসেনের সাথে হোমওয়ার্ক করতে রাজি হয় তাহলে জেনসেন প্রমেজ করছে যে মেয়েটি প্রত্যেক সাবজেক্টে A পাবেই!"
এরপর মেয়েটির সাথে প্রত্যেক রবিবার হোম ওয়ার্ক করতে থাকেন জেনসেন। সারাদিন যাতে এক সাথে থাকা যায় তাই সারাক্ষণই একগাদা হোমওয়ার্ক দিয়ে রাখতেন তিনি৷ পরবর্তীতে লরিকে সারাজীবনের জন্য নিজের করে নিতে একটি চমৎকার কথা বলেন, "দেখ এখন আমার বয়স মাত্র ২০ কিন্তু আমার বয়স যখন ৩০ হবে তখন আমি একটি বড় কোম্পানির সিইও হব।" তিনি মজার ছলে বললেও আসলেই ৩০ বছর বয়সে তিনি এনভিডিয়ার সিইও হন এবং এর আগেই ২২ বছর বয়সে তাদের বিয়ে হয়
এরপর মেয়েটির সাথে প্রত্যেক রবিবার হোম ওয়ার্ক করতে থাকেন জেনসেন। সারাদিন যাতে এক সাথে থাকা যায় তাই সারাক্ষণই একগাদা হোমওয়ার্ক দিয়ে রাখতেন তিনি৷ পরবর্তীতে লরিকে সারাজীবনের জন্য নিজের করে নিতে একটি চমৎকার কথা বলেন, "দেখ এখন আমার বয়স মাত্র ২০ কিন্তু আমার বয়স যখন ৩০ হবে তখন আমি একটি বড় কোম্পানির সিইও হব।" তিনি মজার ছলে বললেও আসলেই ৩০ বছর বয়সে তিনি এনভিডিয়ার সিইও হন এবং এর আগেই ২২ বছর বয়সে তাদের বিয়ে হয়
❤19🕊6
বাংলাদেশের ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU)-এর “ইউআইইউ মার্স রোভার টিম” ২০২৫ সালের আনাতোলিয়ান রোভার চ্যালেঞ্জে (এআরসি) বিশ্বে তৃতীয় স্থান এবং এশিয়ায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড গত ২৩–২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে তুরস্কে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি আয়োজিত হয় আন্তর্জাতিক সংস্থা স্পেস এক্সপ্লোরেশন সোসাইটির (ইউকেইটি) উদ্যোগে। ইউআইইউ মার্স রোভার টিম শুধুমাত্র তৃতীয় স্থান অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তারা সেরা স্বনির্ভর, সেরা ড্রাইভিং ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সেরা বিজ্ঞান দলের পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে বিশেষ বিভাগেও শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিচারক এবং অন্যান্য প্রতিযোগীদের কাছে ইউআইইউ টিমের অটোনোমাস নেভিগেশন, গবেষণা ক্ষমতা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।
ইউআইইউ‑এর এই রোবোটিক্স সাফল্য শুধু একটি প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব নয়; এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য এবং উদ্ভাবনী সংগ্রামের প্রমাণ।
Misbahul Islam Sayad
Team Science Bee
এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড গত ২৩–২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে তুরস্কে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি আয়োজিত হয় আন্তর্জাতিক সংস্থা স্পেস এক্সপ্লোরেশন সোসাইটির (ইউকেইটি) উদ্যোগে। ইউআইইউ মার্স রোভার টিম শুধুমাত্র তৃতীয় স্থান অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তারা সেরা স্বনির্ভর, সেরা ড্রাইভিং ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সেরা বিজ্ঞান দলের পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে বিশেষ বিভাগেও শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিচারক এবং অন্যান্য প্রতিযোগীদের কাছে ইউআইইউ টিমের অটোনোমাস নেভিগেশন, গবেষণা ক্ষমতা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।
ইউআইইউ‑এর এই রোবোটিক্স সাফল্য শুধু একটি প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব নয়; এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য এবং উদ্ভাবনী সংগ্রামের প্রমাণ।
Misbahul Islam Sayad
Team Science Bee
🏆16❤10
আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড (IOI) ২০২৫-এ আবারও উড়লো লাল-সবুজের পতাকা! বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ এবার জিতেছে দুটি মেডেল। সিলভার মেডেল জিতেছেন বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেবজ্যোতি দাস সৌম্য, আর ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেছেন ওয়ালি ই জামান।
উল্লেখ্য যে দেবজ্যোতি দাস সৌম্য এর আগে ২০২২, ২৩ এবং ২৪ সালেও সে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং যথাক্রমে ব্রোঞ্জ, রৌপ্য এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গতবছর গোল্ড মেডেল অর্জন করে৷ আর এবার জিতেছে সিলভার মেডেল৷ সৌম্য মোট ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ৩৭৮.৮৮ নাম্বার পেয়ে পুরো বিশ্বে ৫৭ তম হয়েছে৷
আপরদিকে ওয়ালি ই জামান প্রথমবার এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেছেন। ওয়ালি মোট ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ২৯০.৭৯ নাম্বার পেয়ে পুরো বিশ্বে ১২৪ তম হয়েছে৷
আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলেম্পিয়াড মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়ে থাকে৷ এই বছর এই প্রতিযোগিতাটি বলিভিয়াতে আয়োজন করা হয়েছে৷ এ বছর ৮৪ দেশ থেকে ৩৩০ জন এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন।
উল্লেখ্য যে দেবজ্যোতি দাস সৌম্য এর আগে ২০২২, ২৩ এবং ২৪ সালেও সে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং যথাক্রমে ব্রোঞ্জ, রৌপ্য এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গতবছর গোল্ড মেডেল অর্জন করে৷ আর এবার জিতেছে সিলভার মেডেল৷ সৌম্য মোট ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ৩৭৮.৮৮ নাম্বার পেয়ে পুরো বিশ্বে ৫৭ তম হয়েছে৷
আপরদিকে ওয়ালি ই জামান প্রথমবার এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেছেন। ওয়ালি মোট ৬০০ নাম্বারের মধ্যে ২৯০.৭৯ নাম্বার পেয়ে পুরো বিশ্বে ১২৪ তম হয়েছে৷
আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলেম্পিয়াড মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়ে থাকে৷ এই বছর এই প্রতিযোগিতাটি বলিভিয়াতে আয়োজন করা হয়েছে৷ এ বছর ৮৪ দেশ থেকে ৩৩০ জন এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন।
🤩14🕊3
বিড়াল আবিষ্কার করেছে ভাইরাস এর নতুন এক ধরণ! অদ্ভুত শুনালেও সম্প্রতি অনেকটা এমন ঘটনাই ঘটেছে ফ্লোরিডাতে। ভাইরোলজিস্ট জন লেডনিকি এর বিড়াল 'পেপার' একটি মৃত শ্রিউ (ইঁদুর জাতীয় একটি প্রাণী) শিকার করে আনে এবং সেখান থেকেই ভাইরোলজিস্ট জন লেডনিকি আবিষ্কার করে অর্থোভাইরাস এর নতুন ধরণ।এই ঘটনা প্রথম নয়। গত বছরও নতুন এক ধরণের ভাইরাস "jeilongvirus" আবিষ্কারে সাহায্য করেছিলো তার পোষা এই বিড়ালটি।
❤11