THE HINDU & Employment News Rojgar Samachar रोजगार समाचार Hindi Newspaper Pdf Newspaper epaper HINDU THEHINDU Epaper Newspaper
50 subscribers
6 photos
107 links
Daily The Hindu Newspaper
Download Telegram
আজকের পেপার গুলি দেখার জন্য পেপারের নামের উপরে ক্লিক করে অফিসিয়াল পেজে ভিজিট করু(Click on Name to Download)👇🏻
===================

📰 এই সময় সকাল ৬ টা

📰 সংবাদ প্রতিদিন সকাল ৭ টা

📰 দৈনিক স্টেট্‌সম্যান

📰 আনদবাজার পত্রিকা সকাল ৮ টা

📰 বর্তমান

📰 আজকাল

📰 উত্তরবঙ্গ সংবাদ

Join🔥 @BengaliNewspaperPdf
===================

English Newspaper
(Click on Name to Download)👇🏻

📰 THE HINDU

📰 The Indian Express

📰 HindustanTimes

📰 The Tribune

📰 The Statesman

📰 The Pioneer

📰 The Telegraph

📰 Deccan Chronicle

📰 Financial Express

📰 Business Line

📰 The Asian Age

Join🔥 @EducationalTechTube
===================

Join👉🏻 @BengaliNewspaperPDF for Bengali Newspaper

Join👉🏻 @EducationalTechTube for English Newspaper

Join👉🏻 @DailyBanglaGK for Daily GK

Join👉🏻 @ELMCQ for English Literature

We are not the actual owner of these e-paper. we share it's link only for EDUCATIONAL purpose.
if you have any problem you can contact with us
Thank You!
#ইতিহাসের_কিছু_গুরুত্বপূর্ণ_প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন:- সূর্য-সিদ্ধান্ত গ্রন্থটি কার লেখা ?

উত্তর:- সূর্য-সিদ্ধান্ত গ্রন্থটি গুপ্তযুগের বিখ্যাত বিজ্ঞানীআর্যভট্টেরলেখা ।


প্রশ্ন:- বাণভট্ট কে ছিলেন ?

উত্তর:-চিকিৎসাশাস্ত্রে গুপ্তযুগে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বছিলেন বাণভট্ট –চিকিৎসাবিজ্ঞানে চরক ও সুশ্রুতের পরেই ছিল তাঁর স্থান


প্রশ্ন:- পশু চিকিৎসার ওপর গুপ্তযুগে লেখা দুটি গ্রন্থের নাম লেখো ?

উত্তর:- পশু চিকিৎসার ওপর গুপ্তযুগে লেখা দুটি গ্রন্থের নাম হলহস্তায়ুর্বেদ এবং অশ্বশাস্ত্র।


প্রশ্ন:- ভারতে তৃতীয় তুর্কি অভিযানের নায়ক কে ছিলেন ?

উত্তর:- আফগানিস্তানের ঘুর রাজ্যের সুলতানমহম্মদ ঘুরিভারতে তৃতীয় তুর্কি অভিযানের নায়ক ছিলেন ।


প্রশ্ন:- মহম্মদ ঘুরির ভারত আক্রমনের প্রাক্কালে দিল্লির হিন্দু রাজা কে ছিলেন ?

উত্তর:- মহম্মদ ঘুরির ভারত আক্রমনের প্রাক্কালে দিল্লির হিন্দু রাজা ছিলেনচৌহান রাজা পৃথ্বীরাজ।


প্রশ্ন:- তরাইনের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন ?

উত্তর:- তরাইনের প্রথম যুদ্ধেমহম্মদ ঘুরিপরাজিত হয়েছিলেন ।


প্রশ্ন:- দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ কাদের মধ্যে হয়েছিল ?

উত্তর:- দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধচৌহান রাজা পৃথ্বীরাজ ওমহম্মদ ঘুরিহয়েছিল ।


প্রশ্ন:- আরবরা সর্বপ্রথম কবে সিন্ধু অভিযান করে ?

উত্তর:- খলিফা আলির শাসনকালে৬৬৩ খ্রিস্টাব্দেআরবরা সর্বপ্রথম সিন্ধু অভিযান করে ।


প্রশ্ন:- আরবরা কত খ্রিস্টাব্দে সিন্ধু জয় করে ?

উত্তর:-৭১২ খ্রিস্টাব্দেআরবরা সিন্ধু জয় করে ।


প্রশ্ন:- ভারতে প্রথম তুর্কি অভিযানের নায়ক কে ছিলেন ?

উত্তর:-গজনির সুলতান মামুদভারতে প্রথম তুর্কি অভিযানের নায়ক ছিলেন ।


প্রশ্ন:- সুলতান মামুদ কোন বছর সর্বপ্রথম ভারত আক্রমণ করেন ?

উত্তর:-১,০০০ খ্রিস্টাব্দেসুলতান মামুদ সর্বপ্রথম ভারত আক্রমণ করেন ।


প্রশ্ন:- ভারতের কোথায় প্রথম মুসলিম আক্রমণ ঘটে ?

উত্তর:-পাঞ্জাবে ( পেশোয়ার-এ )ভারতে প্রথম মুসলিম আক্রমণ ঘটে ।


প্রশ্ন:- দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ কবে হয়েছিল ?

উত্তর:- দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ১১৯২ খ্রিস্টাব্দেহয়েছিল ।


প্রশ্ন:- কোন বছর পৃথ্বীরাজ চৌহান মহম্মদ ঘুরি কর্তৃক পরাজিত হয়েছিল ?

উত্তর:-১১৯২ খ্রিস্টাব্দেপৃথ্বীরাজ চৌহান মহম্মদ ঘুরি কর্তৃক পরাজিত হয়েছিল ।


প্রশ্ন:- দিল্লীর সুলতানী শাসন কবে প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর:-১২০৬ খ্রিস্টাব্দেদিল্লীর সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ।


প্রশ্ন:- দিল্লীতে সুলতানি শাসন কে প্রতিষ্ঠা করেন ?

উত্তর:- মহম্মদ ঘুরির সেনাপতিকুতুবুদ্দিন আইবকদিল্লীতে সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ।


প্রশ্ন:- কুতুবুদ্দিনের স্থাপিত রাজবংশের নাম কী ?

উত্তর:- কুতুবুদ্দিনের স্থাপিত রাজবংশের নামদাসবংশ।


প্রশ্ন:- গিয়াসউদ্দিন বলবন কে ছিলেন ?

উত্তর:- গিয়াসউদ্দিন বলবন ছিলেন দিল্লীর সুলতান ইলতুৎমিসের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র সুলতাননাসিরউদ্দিনের শ্বশুর, নাসিরউদ্দিনের মৃত্যুর পরবর্তীকালেদিল্লীর সুলতান।


প্রশ্ন:- তুর্কিরা যখন বঙ্গদেশ জয় করে ,তখন সেখানে কে শাসক ছিলেন ?

উত্তর:- তুর্কিরা যখন বঙ্গদেশ জয় করে ,তখন সেখানে শাসক ছিলেন সেন রাজালক্ষ্মণসেন।


প্রশ্ন:- খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ?

উত্তর:- খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেনজালালউদ্দিন খলজি।


প্রশ্ন:- খলজি বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন ?

উত্তর:- খলজি বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেনসুলতান আলাউদ্দিন খলজি।


প্রশ্ন:- আলাউদ্দিন খলজি কত খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে বসেন ?

উত্তর:- আলাউদ্দিন খলজি১২৯৬ খ্রিস্টাব্দেসিংহাসনে বসেন।


প্রশ্ন:- দিল্লীর সামরিক বাহিনীতে ‘দাগ’ ও
‘হুলিয়া’ প্রথার প্রবর্তন কে করেন ?

উত্তর:-সুলতান আলাউদ্দিন খলজিদিল্লীর সামরিক বাহিনীতে ‘দাগ’ ও ‘হুলিয়া’ প্রথার প্রবর্তন করেন ।


প্রশ্ন: ইলতুৎমিস কে ছিলেন ?

উত্তর:- ইলতুৎমিস ছিলেনসুলতান কুতুবুদ্দিন আইবকের জামাতা, পরবর্তীকালেদিল্লীর সুলতান।


প্রশ্ন:- ইলতুৎমিসের রজত্বের সময়কাল কী ছিল ?

উত্তর:- ইলতুৎমিস১২১০ থেকে ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দপর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।


প্রশ্ন:- ইলতুৎমিসের সময় কোন মোঙ্গল নেতা ভারত অভিযানে আসেন ?

উত্তর:- ইলতুৎমিসের সময় মোঙ্গল নেতাচেঙ্গিস খানভারত অভিযানে আসেন ।


প্রশ্ন:- ইলতুৎমিসের মৃত্যুর পর কে দিল্লীর সিংহাসনে বসেছিলেন ?

উত্তর:- ইলতুৎমিসের মৃত্যুর পররুকনউদ্দিন ফিরোজদিল্লীর সিংহাসনে বসেছিলেন ।


প্রশ্ন:- সুলতানা রাজিয়া কে ছিলেন ?

উত্তর:- সুলতানা রাজিয়া ছিলেন দিল্লীর সুলতানইলতুৎমিসের কন্যা, পরেদিল্লীর সুলতানহয়েছিলেন ।


প্রশ্ন:- দিল্লীর প্রথম মহিলা শাসক কে ?

উত্তর:-সুলতানা রাজিয়াছিলেন দিল্লীর প্রথম মহিলা শাসক ।


প্রশ্ন:- দিল্লীর কোন সুলতান বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন ?

উত্তর:-সুলতান আলাউদ্দিন খলজিবাজারদর নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন ।

@EducationalTechTube
বিজ্ঞান বিষয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: সূর্যকীরণের দ্বারা রোগের চিকিৎসাকে কী বলে?
উত্তর: হেলিওথেরাপি।

প্রশ্ন: পিট কয়লার বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: ভেজা ও নরম।

প্রশ্ন: স্থির তরলে কোন বস্তুকে নিমজ্জিত করলে সেই বস্তু উপরের দিকে যে লব্ধি বল অনুভব করে তাকে কি বলে?
উত্তর: প্লবতা।

প্রশ্ন: স্বর্ণের খাদ বের করতে কোন এসিড ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: নাইট্রিক এসিড।

প্রশ্ন: 0°c তাপমাত্রায় এবং স্বাভাবিক চাপে শুল্ক বায়ুতে শব্দের বেগ কত?
উত্তর: 332 মিটার/সেকেন্ড।

প্রশ্ন: ময়লার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে কোন প্রক্রিয়ায়?
উত্তর: ব্যাপন প্রক্রিয়ায়।

প্রশ্ন: ডুবোজাহাজ হতে পানির উপরে কোন বস্তু দেখার জন্য যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয় তার নাম কি?
উত্তর: পেরিস্কোপ।

প্রশ্ন: টুথপেস্টের প্রধান উপাদান কী কী?
উত্তর: সাবান ও পাউডার।

প্রশ্ন: সেলসিয়াস স্কেলে তাপমাত্রা 0° ডিগ্রি হলে তা ফারেনহাইট স্কেলে হবে কত?
উত্তর: 32 ফারেনহাইট।

প্রশ্ন: মানুষ প্রথম কোন ধাতুর ব্যবহার শেখে?
উত্তর: তামা।

প্রশ্ন: কোন বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষন করে তখন তাকে?
উত্তর: কালো দেখায়।

প্রশ্ন: কোন গাছের পাতা থেকেই গাছ জন্মায়?
উত্তর: পাথরকুঁচি।

প্রশ্ন: সবচেয়ে হালকা ধাতু কী?
উত্তর: লিথিয়াম।

প্রশ্ন: সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কী?
উত্তর: প্লাটিনাম।

প্রশ্ন: নাইট্রিক এসিড একটি অনুতে কয়টি পরমাণু থাকে ?
উত্তর: 5 টি।

প্রশ্ন: কোন ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: রুপা।

প্রশ্ন: হ্যালজেন মৌলসমূহের শেষ খোলসে ইলেকট্রনের সংখ্যা কতটি?
উত্তর: 5 টি।

প্রশ্ন: সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু কী?
উত্তর: পটাশিয়াম।

প্রশ্ন: কোন ধাতুর উপর আঘাত করলে শব্দ হয় না?
উত্তর: অ্যান্টিমনি।

প্রশ্ন: কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে?
উত্তর: পারদ এবং সিজিয়াম।

প্রশ্ন: দুধে কোন ধরনের এসিড থাকে?
উত্তর: ল্যাকটিক এসিড।

প্রশ্ন: কোন ধাতুর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম?
উত্তর: পারদ।

প্রশ্ন: সবচেয়ে ভারি তরল পদার্থ কী?
উত্তর: পারদ।

প্রশ্ন: কোন ধাতু সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়?
উত্তর: দস্তা।

প্রশ্ন: মানব দেহে স্বাভাবিক উষ্ণতা কত?
উত্তর: 98.4° ফারেনহাইট।

প্রশ্ন: বর্ষাকালে ভেজা কাপড় শুকাতে দেরি হয় কেন?
উত্তর: বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।

প্রশ্ন: পানি ঢেলে কেরোসিনের আগুন নিভানো যায় না কেন?
উত্তর: কারন কেরোসিন পানির চেয়ে হালকা।

প্রশ্ন: কোন জ্বালানি পোড়ালে প্রধানত সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস বাতাসে আসে?
উত্তর: ডিজেল।

প্রশ্ন: H+ আয়ন দ্রবণ্যের ঘনমাত্রা ঋণাত্মক লগারিদমকে কি বলে?
উত্তর: pH

প্রশ্ন: পাউরুটি পালানোর জন্য কোন ছত্রাকজাতীয় উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ঈস্ট।

প্রশ্ন: আলোর গতিতে চললে পৃথিবী থেকে চাঁদে পৌছাতে কত সময় লাগে?
উত্তর: 1.5 সেকেন্ড প্রায়।

প্রশ্ন: তারা’দের জীবন প্রবাহের তৃতীয় অবস্থা কোনটি?
উত্তর: হোয়াইট ডোয়ার্ফ।

প্রশ্ন: “কসমিক ইয়ার” বলতে কি বুঝায়?
উত্তর: ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকাল।

প্রশ্ন: সমুদ্র বায়ু কখন কখন প্রবল বেগে প্রভাহিত হয়?
উত্তর: অপরাহ্নে।

প্রশ্ন: কোন বায়ুমণ্ডলীয় স্তর থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়?
উত্তর: আয়নমন্ডল।

প্রশ্ন: কোন পতঙ্গ তার নিজের ওজনের 50 গূন বেশি ওজন বহন করতে পারে?
উত্তর: পিঁপড়া।

প্রশ্ন: কোন প্রকারের মাটি চাষাবাদের জন্য সর্বাপেক্ষা উপকারী?
উত্তর: দোঁআশ।

প্রশ্ন: ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায় কোন হরমোনের অভাবে?
উত্তর: অ্যাডরেনালিন।

প্রশ্ন: কোন রাসায়নিক পদার্থটি ক্রোমোজমের অভ্যন্তরে থাকে না?
উত্তর: লিপিড।

প্রশ্ন: ক্লোরোফিলের মধ্যে কোন ধাতব আয়রনটি আছে?
উত্তর: ম্যাঙ্গানিজ।

প্রশ্ন: ভূপৃষ্ঠ থেকে বহু উপরে উঠলে শরীর ফেটে রক্ত বের হয় কেন?
উত্তর: সেখানে বায়ুর চাপ কম থাকে।

প্রশ্ন: কোন খনিজের অভাবে গলগন্ড রোগ হয়?
উত্তর: আয়োডিন।

প্রশ্ন: একটি লাল ফুলকে সবুজ আলোতে কেমন দেখাবে?
উত্তর: কালো।

প্রশ্ন: কোন উদ্ভিদ দলের মূল, কান্ড, পাতা নেই কিন্তু ক্লোরোফিল আছে?
উত্তর: শৈবাল।

প্রশ্ন: কোন খনিজ লবনের অভাবে গাছের পাতা ও ফুল ঝরে যায়?
উত্তর: ফসফরাস।

প্রশ্ন: গাড়ীর ব্যাটারিতে কোন এসিড ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: সালফিউরিক।

প্রশ্ন: প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
উত্তর: বৃষ্টিপাত।

প্রশ্ন: কোনটি রক্ত আমশয়ের জীবাণু?
উত্তর: সিগেলা।

প্রশ্ন: বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।

প্রশ্ন: অবস্থান ও কাজের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।

(সংগৃহীত)
@EducationalTechTube
বাংলা সাহিত্য বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

✬প্রশ্ন: “সারদামঙ্গল” কোন যুগের কাব্য গ্রন্থ?
উত্তর: আধুনিক যুগের।

✬প্রশ্ন: বঙ্গিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
উত্তর: দুর্গেশনন্দিনী।

✬প্রশ্ন: বঙ্কিমচন্দ্র মােট কতটি উপন্যাস লিখেছেন?
উত্তর: ১৪টি।

✬প্রশ্ন: বিধবা বিবাহ নিয়ে রহিতকরণ বিষয়ে কে কমলযুদ্ধ শুরু করেন?
উত্তর: প্যারীচাঁদ মিত্র।

✬প্রশ্ন: “নীল দর্পণ” নাটকের রচয়িতা কে?
উত্তর: দীনবন্ধু মিত্র।

✬প্রশ্ন: “নীল দর্পন” কোন ধরনের রচনা ?
উত্তর: নাটক।

✬প্রশ্ন: “নীল দর্পণ” ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

✬প্রশ্ন: কোন গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা হয়?
উত্তর: বেতাল পঞ্চবিংশতি।
@EducationalTechTube
✬প্রশ্ন: “সংবাদ প্রভাকর” পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন কে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

✬প্রশ্ন: মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত নতুন ছন্দের নাম কি?
উত্তর: অমিত্রাক্ষর।

✬প্রশ্ন: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য ?
উত্তর: দুই যুগের মিলনকারী।

✬প্রশ্ন: “ঠক চাচা” চরিত্র টি কোন উপন্যাসের লেখা?
উত্তর: আলালের ঘরে দুলাল।

✬প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকী পত্র কোনটি?
উত্তর: দিগদর্শন।

✬প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?
উত্তর: চন্দ্রাবতী।

✬প্রশ্ন: “শকুন্তলা” গ্রন্থটি কার লেখা?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

✬প্রশ্ন: “একে কি বলে সভ্যতা” কে লিখেছেন ?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

✬প্রশ্ন: মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান অবদান কি?
উত্তর: সনেটের প্রবর্তন।

✬প্রশ্ন: কোন নাট্যকার বাংলা নাটকের পথিকৃৎ ?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

✬প্রশ্ন: “বিষাদ সিন্ধু” কার রচনা ?
উত্তর: মীর মোশাররফ হোসেন।

✬প্রশ্ন: “বিষাদ সিন্ধু” কোন ধরনের রচনা ?
উত্তর: উপন্যাস।

✬প্রশ্ন: “বিষাদ সিন্ধু” কোন যুগের গ্রন্থ?
উত্তর: আধুনিক।

✬প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

✬প্রশ্ন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন ?
উত্তর: ভ্রান্তিবিলাস।

✬প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা হয় কত শতকে?
উত্তর: উনিশ শতকে।

✬প্রশ্ন: “বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ” কোন জাতীয় শিল্পকর্ম ?
উত্তর: প্রহসন।

✬প্রশ্ন: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
উত্তর: উইলিয়াম কেরি।

✬প্রশ্ন: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় কবে ?
উত্তর: ১৮০১ সালে।

✬প্রশ্ন: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কে বাংলা ভাষার চর্চা করতেন?
উত্তর: রামরাম বসু।

✬প্রশ্ন: “সবুজপত্র” কে সম্পাদনা করেন?
উত্তর: প্রমথ চৌধুরী।

✬প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলাম কে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষনা করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৭৪ সালে।

✬প্রশ্ন: বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

✬প্রশ্ন: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
উত্তর: ভারতচন্দ্র।

✬প্রশ্ন: “বীরবলের হালখাতা” গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: প্রবন্ধ।

✬প্রশ্ন: শামসুর রাহমানের আত্মজীবনী কি?
উত্তর: কালের ধুলোয় লেখা।

✬প্রশ্ন: রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর “নাইট” উপাধি ত্যাগ করেন কত সালে?
উত্তর: ১৯১৯ সালে।

✬প্রশ্ন: কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: বিরহবিলাপ।

✬প্রশ্ন: “সেজুতি” কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

✬প্রশ্ন: “ময়নামতির চর” কাব্যগ্রন্থ টি কে লিখেছেন ?
উত্তর: বন্দে আলী মিয়া।

✬প্রশ্ন: জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: ঝরা পালক।

✬প্রশ্ন: ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠা কোন সালে?
উত্তর: ১৯২৬সালে।

✬প্রশ্ন: “The Field of Embroidered Quilt” কাব্যটি কবি জসিমউদ্দিনের কোন কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ ?
উত্তর: নকশি কাঁথার মাঠ।

✬প্রশ্ন: “শকুন্তলা” কে অনুবাদ করেন ?
উত্তর:বিদ্যাসাগর।

✬প্রশ্ন: “অন্নদামঙ্গল” কাব্য কে রচনা করেন?
উত্তর: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

✬প্রশ্ন: কে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

✬প্রশ্ন: চাঁদ সওদাগর কোন মঙ্গলকাব্যের নায়ক?
উত্তর: মনসামঙ্গল।

✬প্রশ্ন: কোন দেবীর কাহিনী নিয়ে মঙ্গলকাব্য রচিত ?
উত্তর: মনসা দেবী।

✬প্রশ্ন: মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
উত্তর: কানাহরি দত্ত।

✬প্রশ্ন: “ভাঁড়ুদত্ত” কোন কাব্যের চরিত্র ?
উত্তর: চণ্ডীমঙ্গল।
✬প্রশ্ন: কোন দুজন আরাকান রাজসভার কবি ?
উত্তর: মহাকবি আলাওল ও দৌলত কাজী।

✬প্রশ্ন: সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যটির রচয়িতা কে?
উত্তর: দৌলত কাজী।

✬প্রশ্ন: “গুল-ই-বকাওলী” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: ইজ্জাতুলা।

✬প্রশ্ন: বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয় কোন যুগে ?
উত্তর: মধ্যযুগে।

✬প্রশ্ন: রোমান্টিক প্রণয়োখ্যান ধারার প্রথম কবি কে?
উত্তর: শাহ মুহাম্মদ সগীর।

✬প্রশ্ন: “লাইলী-মজনু” কাব্যটির অনুবাদক কে?
উত্তর: দৌলত উজির বাহরাম খান।

(সংগৃহীত)
@EducationalTechTube
#প্রণব_মুখোপাধ্যায়
#PranabMukherjee
সম্পূর্ণ পড়ার আনুরোধ রাখলাম।।

কীর্ণাহারের গ্রাম থেকে রাষ্ট্রপতির আসনে প্রণব মুখোপাধ্যায়

রাজনৈতিক আভিজাত্যের এক মহান প্রতিভূ ছিলেন সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায়। এমন সুভদ্র, সুমেধা, সুচিন্তক, স্মৃতিপ্রখর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কমই দেখা গেছে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বাঙালির এক অনন্য গরিমার ধারাবাহিকতা নিয়ে রাজনীতির অঙ্গনে বিরাজ করেছেন শুধু নয়, বাঙালির সংস্কৃতির পরিচয়ের প্রতিভূ হয়েছিলেন যেন তিনি। তাঁর জীবনাবসানে বাঙালি সর্বভারতীয় রাজনীতির অঙ্গনে আরও ক্ষীণ হল যেন আভিজাত্যের ঐতিহ্য।

প্রণবাবুর জন্ম ১৯৩৫ সালের ১১ ডিসেম্বর বীরভূম জেলার কীর্ণাহারের অদূরে মিরিটি গ্রামে। পশ্চিমবঙ্গের এক অখ্যাত গ্রাম থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠা এক বিস্তৃত যাত্রাপথ। বাবা ছিলেন একজন স্বদেশি স্বাধানীতা সংগ্রামী। সেই পথ ধরেই একদিন দেশের রাজনীতিতে অবতীর্ণ হন তিনি। প্রথম জীবন শুরু বীরভূমের সিউড়ির কলেজে পড়াশোনা দিয়ে। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি আইন নিয়েও পাঠ নিয়েছিলেন। রাজনীতিতে আগ্র্হ জন্মালেও তখনও তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে আসেননি। সরকারি পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফ অফিসে চাকরি করতে-করতে একদিন স্থির করলেন শিক্ষকতা করবেন। শুরু হল শিক্ষকতা জীবন। ১৯৬৩ দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলার কাছে বিদ্যানগর কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষকতা করতে-করতেই রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ। তারপর আর তাঁকে ফিরে তাকাতে হয়নি। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য। পরবর্তী জীবনে ইন্দিরা গান্ধীর সংস্পর্শে আসা এবং সরাসরি দেশের সর্বভারতীয় দল কংগ্রসের রাজনীতির পরিমণ্ডলে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়া। এবং ইন্দরা গান্ধীর অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন হয়ে ওঠা। সে বিস্তৃত ইতিহাস।

১৯৬৯ সালে রাজ্যসভায় প্রথম পা রাখা। তারপর ১৯৭৩ সালে প্রথমবার মন্ত্রী। সেখান থেকে একের পর এক ধাপ পেরিয়ে ২০১২ বিরোধী নেতা পি এ সাংমাকে পরাজিত করে ভারতের রাষ্ট্রপতির আসনে প্রথম এক বাঙালির দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আরোহণ। ২০১৭ সালে সেখান থেকে অবসর। দীর্ঘ ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবন। দল যখনই বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তখনই সংকটমোচনে প্রধান দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে এগিয়ে নিজের বুদ্ধিমত্তার ছাপ রেখেছেন।

রাষ্ট্রপতি পদে অভিষিক্ত হবার আগে তিনি দেশের এমন কোনো দপ্তর ছিল না যার কোনো-না-কোনো পরামর্শদাতা বা দায়িত্ব সামলেছেন। কখনও অর্থমন্ত্রী, কখনও স্বরাষ্ট্রদপ্তর কখনও বিদেশমন্ত্রী, কখনও প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান। তাঁর মেধা, বু্দ্ধি প্রাজ্ঞতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি কতটা দায়িত্ববান ও বিশ্বাসভাজন। তাই তো ইন্দিরা গান্ধী সব সময় প্রবল আস্থা রেখছিলেন তাঁর ওপর। রাজনীতির অঙ্গনে কানাঘুষোয় এমনও প্রচার ছিল যে বকলমে প্রণব মুখোপাধ্যায়ই যেন প্রধানমন্ত্রী পর্দার আাড়ালে।

১৯৮০ সালে প্রথমবার অর্থমন্ত্রী হওয়ার পরই সংস্কারের পথে পা বাড়িয়ে প্রমাণ করেছিলেন তিনি কতটা সফল। সঙ্গে পেয়েছিলেন মনমোহন সিংহের মতো অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদকেও। শুধু কি অর্থ সংস্কার? না, ২০০৫ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হয়েও ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তির নতুন কাঠমো তৈরি করেছিলেন এবং রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা গ্রহণ করে রাশিয়ার মতো দেশকেও কাছে টেনে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন। নরসিমা রাওয়ের সময়ে প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদ সামলেছেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০০৬ প্রতিরক্ষা দপ্তরের দায়িত্বে। ২০০৬-২০০৯ পর্যন্ত পররাষ্ট্রের দায়িত্ব। তার আগে ১৯৯৬ সালে ভারত প্রথমবার যে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলির সদস্য দেশ হতে পেরেছিল তার মূল কারিগর ছিলেন প্রণববাবুই। দু দফায় দেশের অর্থমন্ত্রকের পদ সামলানো ছাড়াও বহু অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধানে মুশকিল আসানের ভূমিকা নিয়েছিলেন। যেখানেই সমস্যা সেখানেই প্রধান মন্ত্রণাদাতার ভূমিকায় ইন্দিরা গান্ধী পেয়েছিলেন এই প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন বাঙালি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে। ইন্দিরা ক্যাবিনেটের নাম্বার টু হয়ে উঠেছিনে তিনি। তাঁর আমলেই নিউক্লিয়ার বা পরমাণুচুক্তির মতো ঘটনা ঘটেছিল। এ সব দিক থেকে দেখতে গেলে এক সফল রাজনীতিক। তবে কোথাও যেন একটা ক্ষীণ সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীর অবর্তমানে। রাজীব গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী থাকা সময়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন নিজের দলে। তই তিনি ১৯৮৬ সালে দল থেকে সরে গিয়ে তৈরি করেছিলেন ‘রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস’ নামে নতুন মতাদর্শের একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন। যদিও পরবর্তী কালে অবশ্য কংগ্রেসেই ফিরে এসেছিলেন।

জ্ঞান পাণ্ডিত্য এবং সংস্কৃতির পরম্পরার ধারক হিসাবেই দেশ একদিন রাষ্ট্রপতির আসনে দেখেছিল এক বাঙালিকে। পেয়েছিলেন ‘পদ্মবিভূষণ’ (২০০৮) ও ‘ভারতরত্ন’ (২০১৯)। দেশে-বিদেশে বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন নানা সময়ে। ইস্তাম্বুল, হিব্রু ইউনিভার্সিটি, গোয়া ইউনিভর্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের চিটাগাং বিশ্ববিদ্যালয়, কর্নাটকের বিশ্বেশ্বরাইয়া টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি সহ দেশে-বিদেশে বহু বিশ্ববিদ্যাল
য়ের ডক্টরেট ও অন্যান্য সম্মানে ভূষিত হন নানা সময়। কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট-এর চেয়ারম্যান, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। ছিলেন বঙ্গীয় সংস্কৃতির কেন্দ্র বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ট্রাস্টিতেও।
@EducationalTechtube
এত সব নানাবিধ কাজের মধ্যেও লেখাপড়া ছিল তাঁর প্রধান অবসর যাপনের বিষয়। নিজের জীবনের অভিজ্ঞাতা ও লব্ধ জ্ঞান নিয়ই লিখেছিলেন উল্লখেযোগ্য দশটি গুরুত্বপূর্ণ বই। যার অন্যতম ‘দ্য কোয়ালিশন ইয়ারস’, দ্য ড্রামাটিক ইয়ার’, দ্য টারবুলেন্ট ইয়ারস, ‘থটস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস’-এর মতো রাজনৈতিক বিশ্লষেণমূলক বই।

পেয়েছিলেন ‘বেস্ট ফিনান্স মিনিস্টার ইন ওয়ার্ল্ড’ সম্মান, ১৯৮৪ সালে। ‘ফিনান্স মিনিস্টার অব দ্য ইয়ার’ (২০১০)।

দেশ আজ এক সুশিক্ষিত বুদ্ধি ও মেধার রাষ্ট্রপতিকে হারাল। দীর্ঘ ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে যাঁর ধ্যান জ্ঞান ছিল ভারতীয় রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। রাজনীতির ওঁ প্রতিষ্ঠ করা। প্রণব মানে তো তাইই। রাজনীতিতে তিনি ‘চাণক্য’ নামে পরিচিত ছিলেন। দেশে-বিদেশে শুধু তিনি এই মহান দেশের প্রতিনিধি হয়ে সম্মান প্রাপ্তির সঙ্গে-সঙ্গে এক মহান বাঙালির পরিচায়কও হয়ে উঠেছিলেন।