পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করে নতুন ধর্ম গ্রহনকারী মুহাজিরদের ফিরিয়ে দিতে হাবশা-অধিপতি নাজাশিকে রাজি করানোর জন্য মক্কার কুরাইশরা মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়। রাজদরবারে নাজাশি ও হাবশায় আশ্রয় গ্রহণকারী মুহাজির কাফেলার প্রতিনিধি জাফর বিন আবু তালিব (রা) -এর মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হলে তিনি (রা) কুরাইশ প্রতিনিধি দলের সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ খন্ডন করে নাজাশির সামনে নিজেদের নিষ্ঠা ও সততা প্রমাণ করতে সক্ষম হন। হাবশা-রাজ নাজাশি মুহাজির কাফেলাকে মক্কায় ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে নিজেই গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ৭ম হিজরিতে (৬২৮ খ্রিস্টাব্দ) খায়বার যুদ্ধ চলাকালে মুহাজির কাফেলার মদিনায় গমনের পূর্ব পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে তাদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।
.
[ সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ/ ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইতিহাস_টুকিটাকি
#ilmannafiya
.
[ সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ/ ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইতিহাস_টুকিটাকি
#ilmannafiya
❤6
আমুল হুযন বা শোকের বছর
.
অবরোধ ও বয়কটের দুঃসহ তিন বছর শেষ হওয়ার স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই একই বছরে ঘটে দু-দুটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা।
(১) অবরোধ শেষ হওয়ার ৬ মাস পর নবুওয়তের ১০ম বছরে (রজব মাসে) মৃত্যুবরণ করেন নবীজির চাচা আবু তালিব, যিনি ছিলেন নবীজির সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধায়ক ও নিরবচ্ছিন্ন সহায়তাকারী।
(২) চাচা আবু তালিবের মৃত্যুর ৫০ দিন পর (রমজান মাসে) ইন্তেকাল করেন নবীজির সহধর্মিণী আম্মাজান খাদিজা (রা)।
ঘরের-বাইরের দুই পরম নির্ভরতাকে হারিয়ে নবীজি অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে পড়েন। এ কারণেই নবীজি এ বছরকে আমুল হুযন বা শোকের বছর নামকরণ করেন।
.
[ সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ / ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আন
.
#ইতিহাস-টুকিটাকি
#ilmannafiya
.
অবরোধ ও বয়কটের দুঃসহ তিন বছর শেষ হওয়ার স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই একই বছরে ঘটে দু-দুটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা।
(১) অবরোধ শেষ হওয়ার ৬ মাস পর নবুওয়তের ১০ম বছরে (রজব মাসে) মৃত্যুবরণ করেন নবীজির চাচা আবু তালিব, যিনি ছিলেন নবীজির সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধায়ক ও নিরবচ্ছিন্ন সহায়তাকারী।
(২) চাচা আবু তালিবের মৃত্যুর ৫০ দিন পর (রমজান মাসে) ইন্তেকাল করেন নবীজির সহধর্মিণী আম্মাজান খাদিজা (রা)।
ঘরের-বাইরের দুই পরম নির্ভরতাকে হারিয়ে নবীজি অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে পড়েন। এ কারণেই নবীজি এ বছরকে আমুল হুযন বা শোকের বছর নামকরণ করেন।
.
[ সূত্র: ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ / ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আন
.
#ইতিহাস-টুকিটাকি
#ilmannafiya
😭5
নবীদের ঘটনা কেন জানব?
.
নবীদের কাহিনি জানার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। এখানে কয়েকটি কারণ ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হবে—
(১) আল্লাহর আদেশ
রাসূলুল্লাহর (ﷺ) প্রতি আল্লাহ আদেশ করেছেন, 'আপনি বিবৃত করুন এসব কাহিনি'—সুতরাং, আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহকে (ﷺ) আদেশ করা হয়েছে, যেন তিনি উম্মতের কাছে অবশ্যই এসব কাহিনি বর্ণনা করেন। আর রাসূলের (ﷺ) উম্মত হিসেবে এই দায়িত্ব আমাদের ওপরেও বর্তায় যে আমরা পূর্ববর্তী নবীদের কাহিনি জানব এবং অন্যদের কাছে বর্ণনা করব। আল্লাহর আদেশ পালন করা হলো ইবাদত। তাই আল্লাহর আদেশ পালন ও ইবাদতের নিয়তে নবীদের কাহিনি জানতে হবে।
.
[ সূত্র: মুবাশশিরীন / ১ম খন্ড। রেইন্ড্রপস ]
#ilmannafiya
.
নবীদের কাহিনি জানার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। এখানে কয়েকটি কারণ ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হবে—
(১) আল্লাহর আদেশ
রাসূলুল্লাহর (ﷺ) প্রতি আল্লাহ আদেশ করেছেন, 'আপনি বিবৃত করুন এসব কাহিনি'—সুতরাং, আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহকে (ﷺ) আদেশ করা হয়েছে, যেন তিনি উম্মতের কাছে অবশ্যই এসব কাহিনি বর্ণনা করেন। আর রাসূলের (ﷺ) উম্মত হিসেবে এই দায়িত্ব আমাদের ওপরেও বর্তায় যে আমরা পূর্ববর্তী নবীদের কাহিনি জানব এবং অন্যদের কাছে বর্ণনা করব। আল্লাহর আদেশ পালন করা হলো ইবাদত। তাই আল্লাহর আদেশ পালন ও ইবাদতের নিয়তে নবীদের কাহিনি জানতে হবে।
.
[ সূত্র: মুবাশশিরীন / ১ম খন্ড। রেইন্ড্রপস ]
#ilmannafiya
❤5
মদীনায় ইহুদিদের প্রথম পদার্পণ কীভাবে হয়েছিল?
.
—এ বিষয়ে ঐতিহাসিকগণের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে।
একদল ঐতিহাসিকের মতে আল্লাহর নবী মুসা (আঃ)-এর সঙ্গে হজ করতে আসা কিছু ইহুদি ফেরার পথে মদিনায় থেকে গিয়েছিল এবং বসতি স্থাপন করেছিল।
অন্য আরেক দলের মতে শামে রোমানদের আগ্রাসনের কারণে আত্মরক্ষা করতে কিছু ইহুদি মদিনায় এসে বসতি স্থাপন করেছিল।
তৃতীয় আরেকটি মত হলো, বুখতে নাসার-এর সাম্রাজ্য থেকে পালিয়ে কিছু ইহুদি মদিনায় বসতি স্থাপন করেছিল।
পরবর্তীকালে কিছু আরব জনগোষ্ঠী তাদের সঙ্গে বসবাস করতে থাকে। কালের পরিক্রমায় এসব ইহুদিদের বংশধরই নবীজির হিজরতের সময় মদিনায় বসবাস করছিল। হিজরতের সময় বনু নাজির, বনু কুরায়জা ও বনু কায়নুকাসহ ছোট-বড় প্রায় ২৫টি ইহুদি গোত্র মদিনায় বসবাস করত।
.
[ সূত্র: ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ (ফুট নোট) / ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইসলামের_ইতিহাস
#ilmannafiya
.
—এ বিষয়ে ঐতিহাসিকগণের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে।
একদল ঐতিহাসিকের মতে আল্লাহর নবী মুসা (আঃ)-এর সঙ্গে হজ করতে আসা কিছু ইহুদি ফেরার পথে মদিনায় থেকে গিয়েছিল এবং বসতি স্থাপন করেছিল।
অন্য আরেক দলের মতে শামে রোমানদের আগ্রাসনের কারণে আত্মরক্ষা করতে কিছু ইহুদি মদিনায় এসে বসতি স্থাপন করেছিল।
তৃতীয় আরেকটি মত হলো, বুখতে নাসার-এর সাম্রাজ্য থেকে পালিয়ে কিছু ইহুদি মদিনায় বসতি স্থাপন করেছিল।
পরবর্তীকালে কিছু আরব জনগোষ্ঠী তাদের সঙ্গে বসবাস করতে থাকে। কালের পরিক্রমায় এসব ইহুদিদের বংশধরই নবীজির হিজরতের সময় মদিনায় বসবাস করছিল। হিজরতের সময় বনু নাজির, বনু কুরায়জা ও বনু কায়নুকাসহ ছোট-বড় প্রায় ২৫টি ইহুদি গোত্র মদিনায় বসবাস করত।
.
[ সূত্র: ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ (ফুট নোট) / ১ম খন্ড। মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইসলামের_ইতিহাস
#ilmannafiya
❤6
আওস ও খাজরাজ গোত্রের 'আনসার' উপাধি লাভ
.
ইহুদিদের মদিনায় বসতি স্থাপনের প্রায় সমসাময়িক কালেই ইয়ামেনের মা'দিকারিব অঞ্চলে পবিত্র কুরআনে (সুরা সাবায়) উল্লেখিত ঐতিহাসিক প্লাবন সংঘটিত হয়। তখন সেখানে বসবাসকারী কিছু লোক গোত্রের প্রবীণ নেতা আমর বিন ছা'লাবার পরামর্শে নতুন বাসস্থানের সন্ধানে আরবের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তাদেরই একটি অংশ বনু কালার প্রধান-পুরুষ হারিসা বিন যায়দ জ্ঞানী ও বিদ্বান ব্যক্তিদের মাধ্যমে জানতে পারেন —আসমানি গ্রন্থসমূহে শেষ নবীর আবাসস্থলের যেসব বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, তা ইয়াসরিব এলাকায় বিদ্যমান আছে। তখন তিনি ইয়াসরিবে বসতি স্থাপন করেন।
হারিসার দুই পুত্রের নাম ছিল আওস ও খাযরাজ। তাদের বংশধররাই হিজরতের পর মদিনায় নবীজিকে বরণ করে নিয়েছিল এবং 'আনসার' উপাধি লাভ করেছিল। হিজরতের সময় মদিনায় আওস ও খাযরাজ গোত্রের শাখা গোত্রের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে তেরো ও ছত্রিশটি।
মক্কা থেকে নবীজি ও মুহাজির সাহাবায়ে কেরামের হিজরতের সময় মদিনায় মূলত এই দুই শ্রেণীর মানুষই বসবাস করত।
.
[ সূত্র: ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ (ফূট নোট) | ১ম খন্ড | মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইসলামি #ইতিহাস
#ilmannafiya
.
ইহুদিদের মদিনায় বসতি স্থাপনের প্রায় সমসাময়িক কালেই ইয়ামেনের মা'দিকারিব অঞ্চলে পবিত্র কুরআনে (সুরা সাবায়) উল্লেখিত ঐতিহাসিক প্লাবন সংঘটিত হয়। তখন সেখানে বসবাসকারী কিছু লোক গোত্রের প্রবীণ নেতা আমর বিন ছা'লাবার পরামর্শে নতুন বাসস্থানের সন্ধানে আরবের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তাদেরই একটি অংশ বনু কালার প্রধান-পুরুষ হারিসা বিন যায়দ জ্ঞানী ও বিদ্বান ব্যক্তিদের মাধ্যমে জানতে পারেন —আসমানি গ্রন্থসমূহে শেষ নবীর আবাসস্থলের যেসব বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, তা ইয়াসরিব এলাকায় বিদ্যমান আছে। তখন তিনি ইয়াসরিবে বসতি স্থাপন করেন।
হারিসার দুই পুত্রের নাম ছিল আওস ও খাযরাজ। তাদের বংশধররাই হিজরতের পর মদিনায় নবীজিকে বরণ করে নিয়েছিল এবং 'আনসার' উপাধি লাভ করেছিল। হিজরতের সময় মদিনায় আওস ও খাযরাজ গোত্রের শাখা গোত্রের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে তেরো ও ছত্রিশটি।
মক্কা থেকে নবীজি ও মুহাজির সাহাবায়ে কেরামের হিজরতের সময় মদিনায় মূলত এই দুই শ্রেণীর মানুষই বসবাস করত।
.
[ সূত্র: ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ (ফূট নোট) | ১ম খন্ড | মাকতাবাতুল হাসান ]
#ইসলামি #ইতিহাস
#ilmannafiya
❤4
নবীদের ঘটনা কেন জানব?
পর্ব-২
.
(২) তাফাক্কুর
আল্লাহ তা'আলা চান যেন নবীদের এ কাহিনিগুলো নিয়ে আমরা গভীরভাবে ভাবি, চিন্তা করি। আল্লাহ বলছেন, 'আপনি বিবৃত করুন এসব কাহিনি, যেন তারা চিন্তা করে'। কুরআনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশে পূর্ববর্তী নবীদের বৃত্তান্ত বর্ণিত হয়েছে। নিছক বিনোদন বা গল্পের খাতিরে নয়, এসব কাহিনি বর্ণিত হয়েছে জীবনে বাস্তবিক শিক্ষা গ্রহণ ও প্রয়োগের জন্য, গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য।
নবীদের ঘটনায় রয়েছে 'ইবরাহ' তথা সমঝদার ব্যক্তিদের জন্য প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়। এই ঘটনাগুলো এতই সমৃদ্ধ যে বারবার আলোচনা করলেও শিক্ষণীয় উপাদানের ঘাটতি হয় না।
আল্লাহ বলেছেন,
[ সূত্র: মুবাশশিরীন / ১ম খন্ড | রেইনড্রপস ]
#ilmannafiya
পর্ব-২
.
(২) তাফাক্কুর
আল্লাহ তা'আলা চান যেন নবীদের এ কাহিনিগুলো নিয়ে আমরা গভীরভাবে ভাবি, চিন্তা করি। আল্লাহ বলছেন, 'আপনি বিবৃত করুন এসব কাহিনি, যেন তারা চিন্তা করে'। কুরআনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশে পূর্ববর্তী নবীদের বৃত্তান্ত বর্ণিত হয়েছে। নিছক বিনোদন বা গল্পের খাতিরে নয়, এসব কাহিনি বর্ণিত হয়েছে জীবনে বাস্তবিক শিক্ষা গ্রহণ ও প্রয়োগের জন্য, গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য।
নবীদের ঘটনায় রয়েছে 'ইবরাহ' তথা সমঝদার ব্যক্তিদের জন্য প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়। এই ঘটনাগুলো এতই সমৃদ্ধ যে বারবার আলোচনা করলেও শিক্ষণীয় উপাদানের ঘাটতি হয় না।
আল্লাহ বলেছেন,
তাদের কাহিনিতে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়, এটা কোনো মনগড়া কথা নয়, বরং যারা বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের জন্যে পূর্বেকার কালামের সমর্থন, প্রত্যেক বস্তুর বিবরণ, হিদায়াত ও রহমত।
-ইউসুফ : ১১১
[ সূত্র: মুবাশশিরীন / ১ম খন্ড | রেইনড্রপস ]
#ilmannafiya
❤8
অবশ্যই তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ তাদের জন্য যারা আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।
.
আল-আহযাব : ২১
ইয়াওমুল জুম'আ
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
#ilmannafiya
.
আল-আহযাব : ২১
ইয়াওমুল জুম'আ
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
#ilmannafiya
❤11
হে আমার আনসারি ভাই!
'তোমরা কি এতে খুশি নও যে, অন্যরা উট-বকরি নিয়ে বাড়ি ফিরবে আর তোমরা ফিরবে আল্লাহর রাসূলকে সঙ্গে নিয়ে?'
নবীজির কথা শেষ হতেই উপস্থিত আনসারি সাহাবিরা কান্নায় ভেঙে পড়ল। অশ্রুতে তাদের মুখমণ্ডল ও দাড়ি সিক্ত হয়ে গেল।
তারা সমস্বরে বলল, বন্টনে আল্লাহ ও তার রাসূলকে পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট।
.
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
'তোমরা কি এতে খুশি নও যে, অন্যরা উট-বকরি নিয়ে বাড়ি ফিরবে আর তোমরা ফিরবে আল্লাহর রাসূলকে সঙ্গে নিয়ে?'
নবীজির কথা শেষ হতেই উপস্থিত আনসারি সাহাবিরা কান্নায় ভেঙে পড়ল। অশ্রুতে তাদের মুখমণ্ডল ও দাড়ি সিক্ত হয়ে গেল।
তারা সমস্বরে বলল, বন্টনে আল্লাহ ও তার রাসূলকে পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট।
.
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
❤39
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় আসার পূর্বে এই শহরের নাম ছিল 'ইয়াসরিব'। হযরত নূহ (আ:) -এর এক পূত্রের নাম ছিল ইয়াসরিব। তার বংশধরদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তিনি মদীনায় এসে বসবাস করেন। তার নামানুসারে এই এলাকার নাম হয় ইয়াসরিব।
ইয়াসরিব শব্দের অর্থ হলো, অভিযুক্ত বা ধমক দেয়া। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হিজরতের পর এই নগরীর নাম হয় মদীনা। মদীনা শব্দের অর্থ শহর। প্রিয় নবীজির হিজরতে মদীনায় ইতিবাচক পরিবর্তন ও সকল অধিবাসী খুশি হয়ে পূর্বের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন মদীনাতুর রাসূল।
.
[ তথ্য: নবীজি (ﷺ) —এর হিজরতের মানচিত্র। ছানাউল্লাহ জামালী।]
ইয়াসরিব শব্দের অর্থ হলো, অভিযুক্ত বা ধমক দেয়া। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হিজরতের পর এই নগরীর নাম হয় মদীনা। মদীনা শব্দের অর্থ শহর। প্রিয় নবীজির হিজরতে মদীনায় ইতিবাচক পরিবর্তন ও সকল অধিবাসী খুশি হয়ে পূর্বের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন মদীনাতুর রাসূল।
.
[ তথ্য: নবীজি (ﷺ) —এর হিজরতের মানচিত্র। ছানাউল্লাহ জামালী।]
❤22
হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন —
"আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর আগে ও পরে তাঁর মত সুন্দর কাউকে দেখিনি"
এ কথা তিনি নিছক আবেগের আতিশয্যে বলেন নি; বরং বাস্তবেও ছিল তাই। হযরত ইউসুফ (আ) -এর চেয়ে নবীজি (ﷺ) —এর সৌন্দর্যের মাঝে আকর্ষণ বেশি ছিল।
[তথ্য: শামায়েলে তিরমিজি। মাকতাবাতুল আযহার]
"আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর আগে ও পরে তাঁর মত সুন্দর কাউকে দেখিনি"
এ কথা তিনি নিছক আবেগের আতিশয্যে বলেন নি; বরং বাস্তবেও ছিল তাই। হযরত ইউসুফ (আ) -এর চেয়ে নবীজি (ﷺ) —এর সৌন্দর্যের মাঝে আকর্ষণ বেশি ছিল।
[তথ্য: শামায়েলে তিরমিজি। মাকতাবাতুল আযহার]
❤29
যে বিপদ ভেঙেচুরে ভেতরটাকে তছনছ করে দেয়, সেটাও কিন্তু রব্বের পক্ষ থেকে বিরাট এক নিয়ামত, রহমত।
— মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর
— মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর
❤15
দুনিয়াতে যতটুকু সময় পাওয়া যায়, তা অত্যন্ত গনিমত মনে করে কাজে লাগানো উচিত। তা নষ্ট করা সমীচীন নয়। এই যামানা বা সময় শস্যক্ষেত্রের ন্যায়। এর প্রতিটি সেকেন্ড হীরা ও মূল্যবান পাথর হতেও বেশি দামী। যথাসম্ভব আল্লাহ তা'আলার জিকিরে সময় ব্যয় করা।
.
[তথ্য: শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানি রহ.-এর মালফুজাতে মাদানি]
.
[তথ্য: শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানি রহ.-এর মালফুজাতে মাদানি]
❤13
ছোটবেলা থেকেই আমরা বড় হয়েছি বেশকিছু ধারণা নিয়ে। যেমন: সমাজের ধনী মানুষগুলোকে গরিব মানুষদের থেকে বেশি সম্মান ও সুযোগ দিতে হবে। যাদের ডিগ্রি আছে তাদেরকে নিরক্ষর মানুষদের থেকে বেশি সুযোগ ও সম্মান দিতে হবে। কেউ যদি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হয়, মন্ত্রী-আমলা হয়, তাহলে তো কথাই নেই। উঠতে বসতে 'স্যার, স্যার' করতে হবে। ছোটবেলা থেকে আমাদেরকে এই ধারণাগুলো দিয়ে বড় করা হয়। আমরা অনেক সময় ভুলে যাই—সম্পদ, খ্যাতি উপাধি, পদ, বংশ ইত্যাদি যেই ব্যাপারগুলোকে আমরা এত গুরুত্ব দিয়ে থাকি, আল্লাহর কাছে এগুলোর সাথে কারো প্রাপ্য-সম্মানের কোনোই সম্পর্ক নেই। তাঁর কাছে কারো সম্মান নির্ভর করে কেবল তার তাকওয়ার ওপর।
সূরা আবাসা'র প্রথম দিকের আয়াতগুলো দিয়ে আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এমন এক মূল্যবোধ শেখাতে চান, যার নজির ইতিহাসে আর একটিও নেই।
.
[ সূত্র: ওমর আল জাবির রচিত পড় ৩ বই থেকে]
সূরা আবাসা'র প্রথম দিকের আয়াতগুলো দিয়ে আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এমন এক মূল্যবোধ শেখাতে চান, যার নজির ইতিহাসে আর একটিও নেই।
.
[ সূত্র: ওমর আল জাবির রচিত পড় ৩ বই থেকে]
❤11
কখনো কি বিজন অন্ধকারে
রবের পানে
মুখ তুলে বলেছেন—
'দয়াময় প্রভু!
প্রাণাধিক ভালোবেসেছি তোমায়!'
রবের পানে
মুখ তুলে বলেছেন—
'দয়াময় প্রভু!
প্রাণাধিক ভালোবেসেছি তোমায়!'
❤23
কে আছো এমন
যে আমাকে ডাকবে!
আমি তোমার ডাকে সাড়া দেবো।
আফসোস! আমি যদি এভাবে তাঁকে নিয়মিত ডেকে যেতে পারতাম, তাহলে আমার জীবনে হতাশা, না পাওয়া, অপূর্ণতা বলতে আর কিছুই থাকতো না।
আপনাকে বেশি বেশি স্মরণ করার তাওফিক দিন ইয়া রাব্বি!
যে আমাকে ডাকবে!
আমি তোমার ডাকে সাড়া দেবো।
আফসোস! আমি যদি এভাবে তাঁকে নিয়মিত ডেকে যেতে পারতাম, তাহলে আমার জীবনে হতাশা, না পাওয়া, অপূর্ণতা বলতে আর কিছুই থাকতো না।
আপনাকে বেশি বেশি স্মরণ করার তাওফিক দিন ইয়া রাব্বি!
❤19
হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) —এর অন্তরঙ্গ ও বিশ্বস্ত সহচর এবং মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা। তাঁর চরিত্র সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন—
'আমার উম্মাহর মধ্যে আবু বকর সবচেয়ে রহম দিল ও বিনয়ী ' (ইবনে মাজাহ : ১৫৪)
লোকেরা ছোটোখাটো কাজের জন্যও তাঁর কাছে চলে আসত। আর তিনি বিনয়াবনত চিত্তে সেসব কাজ সেরে দিতেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
'পাড়ার মেয়েরা বকরির দুধ দোহন করানোর জন্য আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট আসত। তিনি বলতেন—
'আচ্ছা! ইবনে আকরার ন্যায় দোহন করে দিলে তোমরা খুশি তো?'
খলিফা হওয়ার পর পাড়ার মেয়েরা বলতে শুরু করল—'এবার তো তিনি খলিফা হয়েছেন। এখন আর কেউ আমাদের বকরির দুধ দোহন করে দেবে না'। এ কথা শুনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন —'আমার জিন্দেগীর কসম! অবশ্যই আমি দুধ দোহন করে দেবো। আশা করি, খিলাফতের কাজে নিযুক্ত হওয়ার পর আমার চরিত্রের কোনো পরিবর্তন ঘটবে না।'
.
আহবান
মিজানুর রহমান আজহারি (হাফি.)
'আমার উম্মাহর মধ্যে আবু বকর সবচেয়ে রহম দিল ও বিনয়ী ' (ইবনে মাজাহ : ১৫৪)
লোকেরা ছোটোখাটো কাজের জন্যও তাঁর কাছে চলে আসত। আর তিনি বিনয়াবনত চিত্তে সেসব কাজ সেরে দিতেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
'পাড়ার মেয়েরা বকরির দুধ দোহন করানোর জন্য আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট আসত। তিনি বলতেন—
'আচ্ছা! ইবনে আকরার ন্যায় দোহন করে দিলে তোমরা খুশি তো?'
খলিফা হওয়ার পর পাড়ার মেয়েরা বলতে শুরু করল—'এবার তো তিনি খলিফা হয়েছেন। এখন আর কেউ আমাদের বকরির দুধ দোহন করে দেবে না'। এ কথা শুনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন —'আমার জিন্দেগীর কসম! অবশ্যই আমি দুধ দোহন করে দেবো। আশা করি, খিলাফতের কাজে নিযুক্ত হওয়ার পর আমার চরিত্রের কোনো পরিবর্তন ঘটবে না।'
.
আহবান
মিজানুর রহমান আজহারি (হাফি.)
❤18🔥1
— আচ্ছা, বলো তো, কুরআন কারিম ও ফুলের মধ্যে মিল কোথায়?
— উভয়টাই নিজ নিজ সুবাস ছড়ায়।
— আর অমিল?
— আমি ফুল না শুকে রেখে দিলে, ফুলটা শুকিয়ে যাবে। আমার কিছু হবে না। কিন্তু কুরআনের ব্যাপারটা উল্টো। আমি তিলাওয়াত না করে হেলাভরে কুরআনকে তাকে ফেলে রাখলে আমি শুকিয়ে যাবো, কুরআন আগের মতোই থাকবে। সজীব। সতেজ।
.
— মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হাফি.
— উভয়টাই নিজ নিজ সুবাস ছড়ায়।
— আর অমিল?
— আমি ফুল না শুকে রেখে দিলে, ফুলটা শুকিয়ে যাবে। আমার কিছু হবে না। কিন্তু কুরআনের ব্যাপারটা উল্টো। আমি তিলাওয়াত না করে হেলাভরে কুরআনকে তাকে ফেলে রাখলে আমি শুকিয়ে যাবো, কুরআন আগের মতোই থাকবে। সজীব। সতেজ।
.
— মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হাফি.
❤18